দুধশাদা গ্লোসি পেপারের কাভার পেইজে শিশির ভট্টাচার্য্যের করা প্রচ্ছদ ও নামলিপিতে ‘পেঁচা’কে পাই।
রাজা সহিদুল আসলামের কৃপায়।
সম্পাদক শামসুল কবীর।
লিটল ম্যাগ বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী ইত্যোকার টার্মগুলো আমার অজানাই ছিল।
সাপ্তাহিক বিচিত্রা, সন্ধানী কিংবা দৈনিক সংবাদ এর লেখাপত্রকেই সাহিত্য মনে করতাম।
তো পেঁচা পড়তে যেয়েই বেয়াপক হোঁচট খাই!
আরে ইতা কিতা! গাণ্ডীব বা অনিন্দ্য তখনও পাতে পেয়েছিলাম কী না, মনে নাই। মাথার কলকব্জা নাটবল্টু সব খুইলা উইড়া যাইতে নিল আর কী।
সম্পাদক মহাশয়ের লেখকসূচিতে তখনে ছিলেন মামুন হুসাইন, সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ প্রমুখ। তত নাম হয় নাই তখনো উনাদের।
‘লালকমল নীলকমল’ গল্পটায় মিথের বয়ানটাতেই পাল্টি খায়া গেলাম। তারপর ম্যারাথন গদ্য ‘হাই ডিগ ডিগ’ পড়ে কম্ম কাবার। টোট্যালি ডিফরেন্ট প্যাটার্ন।
ভাবলাম এই দোচনামার্কা রাস্তা তো আমি বহু আগে থেকেই বিছড়াইতেছিলাম। পাইছি ইহারে শেষে, ইশ!
লুতুপুতু আর ফিড়িং সাহিত্যের তবে ইতি। আহা!
তো সম্পাদকই তো লেখক তৈয়ার করেন।
শামসুল কবীর এই আনপ্যারালাল সম্পাদক মহাশয়কে তাই তখন থেকেই কুটি কুটি কদমবুছি করি মনেমনে।
এইযে একটা নতুন রীতি আর কমিন্টমেন্টরে জনপরিসরে হাজির করলেন কবীর তারে তো সেকারণে পুজা দেওয়া দরকার রেগুলার।
বহুতদিন পরে শাহেদ শাফায়েত পিজির ঘাসে এই কচিভাইয়ের সাথে মিলমিশের এন্তেজাম করলেন।
কোরপাটেলিক বারাইছে কেবল তখনে।
বহুত আশেকান শাফায়েতের।
আলাপ দিব কচিভাইয়ের সাথে এই বাসনা ছিল।
গোল হয়ে বসে সিগারেটে গাঁজা ভরে পাশ দ্য পিলো মতন স্টিক টানলাম। হাহা করলাম। হুহু করলাম প্রভূত।
কাম আর হইল না।
নতুন লেখার খবরও পাইলাম না তথায়।
লেখককূল তারে ঘিরেই ছিল। সো আর পেচা বারাইছিল কী? জানি না।
তবে বলব এইটাই কথাএককেবারে দ্রষ্টা সম্পাদক শামসুল কবীর। বাঁকবদলের রূপকার।
কবিতা পড়েও ভাল পাইলাম।
নকীব ভাইজানকে শুকরিয়া এই চান্সে।
লেখা না মরলে লেখালেখির লোকের তো মৃত্যু হয় না।
এই একখান আশার জাগা।
খাঁচা খুলে প্রাণপাখি উইড়া যাবেই।
যাইক।
রেওয়াজ মেনেই কচি ভাইরে বিদায় দিলাম।
নট সম্পাদক, কথাকার বা কবিরে।
এইটা কুনোদিনই দিব না প্রেটি সিউর!
ভালোবাসা৷
কচিভাই
হোসেন মোতাহার
হোসেন মোতাহার





মন্তব্য