গ্রেট আর্টিস্ট জীবনাচরণে খুব মিডিওকার হন। একই সঙ্গে কেউ বিচিত্র জীবন আর বিচিত্র সৃজন করতে পারে না। কোনো এক গুরুস্থানীয় ব্যক্তি এরকম একটা কথা ইয়েটসের নাম দিয়ে চালিয়ে দিয়েছিলেন। অনেক আগের কথা। তখন ইন্টারনেট ছিল না, চ্যাট-জিপিটি ছিল না। ফলে, যাচাই করতে পারি নাই।
এখন যাচাই করতে গিয়ে দেখলাম, এমন কোনো কথা এক্সাক্টলি কেউ বলেন নাই। কিন্তু কাছাকাছি অনেকেই বলেছেন। ফলে, বোঝা গেল, এটা ছিল একটা লোকবিশ্বাস। আরবান লিজেন্ড।
ইচক দুয়েন্দে ছিলেন এই আরবান লিজেন্ডের একটি পরিষ্কার নেগেশন। গ্রেট আর্টিস্ট হ্যাভিং অ্যা গ্রেট লাইফ। নিজের বিশ্বাসমত জীবন যাপন করার স্বাধীনতা। জীবনকে শিল্পে আর শিল্পকে জীবনে নিয়ে এসে তিনি নানারকম চিত্তাকর্ষক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে গেছেন। সেসব নিয়ে একটা উপন্যাসই লিখতে হবে। ফেসবুক পোস্ট দিয়ে তার কিছুই ধরা যাবে না।
ইচক আর লেখক আর পেশাদার উভয় জীবনেরই গুরু ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে আমারও খানিকটা মৃত্যু হয়ে গেল। যাবো যাবো করে রাজশাহী যাওয়াই হল না। কতবার ভেবেছি, একদিন গিয়ে ধুম একটা আড্ডা দিয়ে আসবো। সেই পুরানো দিনের মত। মালিবাগ থেকে শাহবাগ, মহাখালি থেকে কাঁটাবন। হয় নি, কারণ আমার জীবন আমার হাতের মুঠোয় আসে নি। বা হাত গলে বেরিয়ে গেছে।
বিদায়, ইচক, কচিভাই, শামসুল কবীর! ধুলিযুদ্ধের দুনিয়ায় তিনিই ছিলেন টিয়াদুরের কল্পকথক।
ইচক দুয়েন্দে’র জন্য
সুমন রহমানের শোকগাথা
সুমন রহমানের শোকগাথা




মন্তব্য