ধ্রুবতারাকে
এখনও আকাশে ঝুলে নাবিককে পথ দেখাও
এই যে অজর স্থিরতা এর বাইরে সম্বল কী তোমার?
নক্ষত্র লোক জুড়ে নিরেট অন্ধকারে
এতো যে মিটিওর ঝরে
ড্রোন, নষ্ট ভ্রূণ, পরমাণু, মিসাইল হয়ে
রক্ত চন্দনের ফোঁটার কান্না, অবসাদ
এসব উপেক্ষায় রেখে
কী দিশা দেখাবে তুমি হতমান সমুদ্র মানবকে, সুনীতিপুত্র?
নির্মোহ কঠিনতম তপস্যার ফল কী কাজে লাগবে
যখন নাবিক আজ কালীদহ নোনা জলে
লগি ঠেলে করে পারাপার…
স্থবিরতা মন্থন ক’রে বেরোও এবার।
বিনির্মাণ বিস্ময়
দেরিদাকে সবটা বুঝেছেন একজনই
বিশ্ব জোড়া দুনিয়াদারি তাঁরই
আমাদেরও বোঝার কথা ছিল, পারিনি
গায়ত্রী মন্ত্র তাই অজ্ঞেয়ই থাকে
দুর্বল কবি তো পারেনি গাঢ়তম জ্ঞানকে হারাতে!
মীথ জমে। গাঢ় পাথরের এই ভার
এটুকু উত্তরাধিকার সভ্যতার খাতিরে মেনে নিতে হয়!
কিন্তু এই নবনির্মাণের কী ভাবে পাঠোদ্ধার হবে
বলেছে কি থিয়োরি অফ ডিকন্সট্রাকশন?
জীবনানন্দ
একটা ট্রামের নীচে চাপা পড়লো
বাংলা কবিতা
সকল দুয়ার ফেরা একটি ম্লান মুখ
বেতের ফলের মতো চোখ নিয়েও নিয়তি
এড়াতে পারেনি
মুথা ঘাস মুখে নিয়ে উড়ে গেলো শেষ শঙ্খচিল
এই পাপ বুকে নিয়েই আমরা
ছেনি হাতে অচেনা পাথর কেটে
সময় কাটাই।
জীবনানন্দ ও অন্যান্য কবিতা
মণিপদ্ম দত্ত
মণিপদ্ম দত্ত




ব্রহ্মাণ্ড ছেড়ে / জীবন খোঁজা
উত্তরমুছুনধ্রুবতারাকে এবং জীবনানন্দ বার বার পাঠযোগ্য।
উত্তরমুছুন