.header-button .inner > span { font-size: 18px !important; } .header-button .inner i.fa { font-size: 40px !important; } .comment-form-message { background-color: #f4f4f4 !important; font-size: 14px !important; }

$type=ticker$count=12$cols=4$cate=0$sn=0$show=post

রেস ট্রাকের মাতাল ঘোড়া ও বুকোস্কির ১১৫ ডলারের নিরাময়শালা • নিমাই জানা

রেস ট্রাকের মাতাল ঘোড়া ও বুকোস্কির ১১৫ ডলারের নিরাময়শালা • নিমাই জানা
কখনো ভাবো যে আমি একজন কবি, তুমি আমাকে দেখতে পাচ্ছো যে কোনদিন রেসট্র্যাকে অর্ধেক মাতাল অবস্থায় বেটিং কোয়ার্টার সাইড হুইলার এবং স্ট্রিট থোরা, কিন্তু আমি তোমাকে বলতে চাই ,সেখানে কিছু মহিলা আছে যার টাকা সেখানে যায় সেখানে যায়, এবং কখনো কখনো যখন তুমি এই বেশ্যাদের দিকে তাকাও, এই ১০০ ডলারের বেশ্যারা তুমি মাঝে মাঝে ভাবো প্রকৃতি কি রসিকতা করছে না? এত স্তন আর পাছা আর কিভাবে সব একসাথে ঝুলছে
৩৪০ ডলারের একটি ঘোড়া এবং ১০০ ডলারের বেশ্যা
(হেনরি চার্লস বুকোস্কি)

বীভৎস ভয়ানক প্রথাভাঙ্গা অনুবাদ অক্ষরের ভূমিকম্প প্রলয় সৃষ্টিকারী আগ্নেয় উৎপাদক লালা নিঃসরণকারী ভয়ানক কবিতার অক্ষর গুলো জন্ম দিয়েছেন তিনি আর কেউ নন জার্মান আমেরিকান কবি হেনরি চার্লস বুকায়োস্কি , ভয়ানক ডার্ক ইমেজারি চিন্তার মানুষ ভয়ানক যৌনতার ইমেজ রিয়ালিজম ট্রান্সগ্রেসিভ ফ্রিকশন, যৌনতার ভেতরে অদম্য সত্য সুন্দর অভিজ্ঞতার আবেগ কল্পনার উপর ভিত্তি করে ভূগর্ভস্থ থেকে তুলে আনা বাস্তব অভিজ্ঞতা হিংসাত্মক যৌন চিত্রকল্প যৌনতা মদ্যপান সহিংসতার নিয়মিত ব্যবহারের মাধ্যমে পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবকে বারবার ব্যঙ্গ করেছেন ভ্রুকুটি নাচিয়েছেন থুতু ছুঁড়েছেন পতাকার উপরে টাঙিয়ে দিয়েছেন সমাজের কদর্য অর্ধনগ্ন রূপ, ১৯২০ খ্রিস্টাব্দের ১৬ই আগস্ট জার্মানির প্রুশিয়ার আন্ডারনাচে হেনরি চার্লস বুকায়োস্কি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বাবা হেনরিখ বুকোস্কি জার্মান বংশোদ্ভুত একজন আমেরিকান যিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর মার্কিন দখলদারিত্বের সেনাবাহিনীতে কাজও করেছিলেন পরে স্বেচ্ছা অবসরের মাধ্যমে তার মা ক্যাটরিনাকে নিয়ে মেরিল্যান্ডের বাল্টিমোরে জাহাজে করে যান এবং সেখানে তারা স্থায়ীভাবে বসবাস করেন, হেনরির বাবা প্রায়শই বেকার থাকতেন সমাজের অভাব দারিদ্র নিপীড়ন শোষণ হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিলেন তার ক্ষোভ তার বাবার আক্রমণ থেকে তার পরিবারের কেউ কখনো বাদ যাননি অর্থাগমের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর হেনরি চার্লসের বাবা তার মায়ের উপর মায়ের সম্মতি সাপেক্ষে শারীরিক মানসিক নির্যাতন চালাতেন এবং হেনরি চার্লস প্রায় ছয় থেকে ১১ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে তিনবার ক্ষুরের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছেন ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন ডাক্তারের শরণাপন্ন নিতে হয়েছে চোখের সামনে বাবার আক্রোশ অর্থনৈতিক কষ্ট আর লাল রক্তের স্রাব তিনি লক্ষ্য করেছেন এই কথাগুলোর উপস্থাপন করার অর্থ আর কিছু নয় প্রতিটি কবি তার চারপাশে যা দেখে তাই লিখে তা সত্য সুন্দর পবিত্রতার অক্ষরে , নিজেকে ক্ষতবিক্ষত করে নিজেকে বারবার পরিশুদ্ধ করেন। নিজেই উপহাসের শিকার হন গায়ের রং কালো বলে মুখে অত্যাধিক ব্রণ থাকার কারণে সহপাঠীরা তাকে হেইনি নামে অভিহিত করত বন্ধু বান্ধবী সহপাঠীরা উপহাস করত। যা তাকে আরো ভবিষ্যতে ভয়ংকর কিছু সৃষ্টির পথ সুগম করে দিয়েছে, প্রতিটি কবিতার ছত্রে ছত্রে এমনই ভয়াল ভয়ংকর সমাজের রূঢ় বাস্তব হিংসা ক্রোধ শোষণ ধর্ষণ আর দারিদ্রতার মতো স্পাইরাল অজগর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে ময়াল সাপ তার জিবের ভেতর দিয়ে ঢুকে যায় চটকানো ভয়ানক বাস্তব সত্যবাদীতার অ্যালকোহলে চুমুক দিতে দিতে, উপস্থাপনা করেন কালজয়ী অনন্ত সৃষ্টির একটা ঋকবেদ, তিনি সেখানে আর্যাবর্তের ক্ষত্রিয় লাল প্রোটনিক পারমাণবিক চুল্লি, হি হি করে হাসেন 

অল্প বয়স থেকেই দারিদ্রতার চকলেট খেয়েছেন,প্রায় তিনি চাকরি করতেন না বললেই চলে অথবা চাকরিতে মন বসাতে পারতেন না পোস্ট অফিসের কনট্রাক্টচুয়াল চাকরিতে প্রায় স্থায়ী হতে পারছিলেন না। চাকরি ছেড়ে গেছেন চাকরি ছেড়ে দশ বছরের মাতাল সেজে অবাধ বাউন্ডুলের মতো ঘুরেছেন নিয়মিত মদ্যপান করেছেন বেহুঁশ হয়েছেন হোটেল বারে রেস্তোরাঁয় গিয়েছেন অবাধ যৌন সঙ্গম করেছেন আবার অনন্ত সৃষ্টির মধ্যে তিনি ছিলেন , তিনি অল্প সময়ের জন্য আচার কারখানায় কাজ করেছিলেন ১০ বছর তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেছিলেন সস্তা রুমিং হাউসে থাকতেন। এই পিরিয়ড ডাকে তিনি বলেছেন ১০ বছরের মাতাল। লস এঞ্জেলসের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডাকঘর বিভাগে চাকরি নিলেও তিনি তিন বছরের আগেই পদত্যাগ করেন, অসংখ্য নারীরসঙ্গ করলেও মধ্যপ্রাচ্যের মদ্যপান যৌনব্যবসা কপর্দক শূন্যতায় নিজেকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন কবি জীবনের অক্ষরমালা রচনার জন্য ৪ মিলিয়ন ডলারের মোট সম্পদ নিয়ে তিনি মারা গেলেও তার প্রতিটি ডলার সিগারেট অ্যালকোহল আর যৌনকর্মীদের নিয়েই তিনি ব্যয় করেছেন, প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় প্রতিটি কবিতার অক্ষরে অক্ষরে তিনি গেঁথে রেখেছেন আলোচনা করেছেন প্রকাশ্যে বলেছেন বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়ার কথা তার নিজের ভেতরে থাকা খনিজ অন্ধকারের আকরিক লৌহ মেশানো তীব্র ব্লেড বিষয়ক রক্তাক্ত খুনের কথা যখন তিনি নিজেই নিজেকে খুন করেন আবার মোমবাতির আগুন জ্বালিয়ে বিছানা সরিয়ে দেখেন অবিন্যস্ত প্রতিটি নারীর যৌন বিবস্ত্র অতি সাংকেতিক রমনগন্ধ কথা, তিনি বারবার যৌন আসক্তিতে জড়িয়ে পড়েছেন যৌনাক্রান্ত হয়েছেন, আবার তিনি বিধ্বস্ত হয়েছেন এ সমাজের কাছে এ দারিদ্রতার কাছে এ বৃহত্তর জাগতিক জীবনের পরমাত্মার ঢেউ তাকে ভেঙে খানখান করে দিয়েছেন আবার তিনি একেশ্বরবাদের বিশ্বাস করতেন আবার বিশ্বাস করতেন না ঈশ্বরকে , তিনি আসলে একজন অজ্ঞেয়বাদী বহু ঈশ্বরবাদী অর্থাৎ তিনি ঈশ্বরকে বিশ্বাস করলেও নিশ্চিতভাবে বলতে পারতেন না যে ঈশ্বর আছে কিনা কিন্তু চার্লস বুকায়োস্কি ধর্মীয় ঐতিহ্যকে স্বীকার করতেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ড্রাফট ফাঁকি দেওয়ার কারণে তাকে জেলখানায় কাটাতে হয়েছিল পরে তিনি সামরিক পরিষেবার জন্য মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষায় ব্যর্থ হন সব থেকে বড় কথা তিনি শৈশবে ম্যানিক ডিপ্রেশন নামক এক সাইকো-অসুখে ভুগতেন আর প্রিয় বন্ধুর হাত ধরে শিখে গিয়েছিলেন প্রিয় ওয়াইন বোতলের নাম ‘রিচ রেড ক্যাভারনেট সভিগনন’ বিভিন্ন ওয়াইন বোতলের সাথে সখ্যতার কারণে তিনি ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছেন তার জীবনের প্রতিটি অধ্যায়, সভ্যতা স্থিতিস্থাপকতা জীবনের সরলতার প্রতি গভীরতার উপলব্ধি দাম্ভিকতার প্রতি তার ঘৃণা এবং জাগতিকতার মধ্যে সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়ার ক্ষমতা থাকে অন্যান্য লেখকের থেকে বারবার আলাদা করেছে, রক্তক্ষরণ জড়িত আলসারে আক্রান্ত হয়ে বেঁচে গেলেও পরে লিওকেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তিনি ৭৩ বছর বয়সে মারা যান ব্যক্তিগত জীবনকে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন খাতে বিভিন্ন টানাপোড়ন উত্থান পতন ক্রোধ বিষাদ হিংসা লোভ ক্ষুধাতুর যৌনতাড়না দারিদ্র হা হুতাশ সবকিছু বিশ্লেষণ না করে সরাসরি তার কবিতার মাধ্যমে যদি পর্যালোচনা করা হয় সেই সময়ের সমাজ ব্যবস্থা ব্যক্তিগত জীবন অর্থনীতি ধর্মনীতি তাহলেই বোধহয় কবিকে আরো ভালো করে জানা যাবে, কবি ‘আমি সরকার উৎখাত করতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমি যা কিছু করে পতন করেছি তা হলো কারো স্ত্রী’ কবিতাটি একটি বীভৎস পরিমণ্ডল থেকে উঠে আসা, কবি এক পাক্কা জুয়াড়ি তিনি জুয়া খেলছেন নিজের বোতাম খুলছেন আবার কোন বালিশের নিচে লুকিয়ে রাখা বোমা আর পোপের হিস হিস শব্দ শুনতে শুনতে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে। তিনি আসলে এতো সূক্ষ্ম সত্য সুন্দর পবিত্র অথবা অপবিত্র সূক্ষ্ম বাস্তব পরাবাস্তব চেতনাগুলো নিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন সরু গলি বেয়ে সেখানে টিমটিম করে আলো জ্বলে ফিসফিস শব্দ শুনতে পান আবার লেফট ব্যাঙ্ক এবং ফার্মাসিস্টের স্ত্রীর মতো এক আপাতত সুন্দরী অপ্সরাকে অবলোকন করতে পারেন। আসলে এই দৃশ্যের ভেতর দিয়ে তিনি দেখাতে চেয়েছেন একটা ভয়ংকর অতিলৌকিক ও পরাবাস্তবের ভয়ঙ্কর বিমূর্ত আয়না যেখানে আয়নায় নিজের ভয়ংকর প্রতিবিম্বটা কেঁপে উঠতে থাকে, প্রতিবিম্বটা বারবার জীবিত হতে থাকে পৃথিবীর ইহুদি বারবার মরে যেতে থাকে প্রতিবিম্বের ভেতরে মাতাল ঘোড়া দৌড়াতে থাকে সেখানে নারীদের সুন্দর পায়ের মতো সাম্রাজ্য ওয়াল স্ট্রীট ম্যানহাটন মৃত ইহুদি বেশ্যার শক্তিশালী শরীর আর বালিশের নিচে থাকা নিস্তব্ধ কামানের মতো ফাটল কবিকে বারবার শিয়ালের মতো তাড়া করেছে বিষাক্ত ফাঁসির দড়ির মতো দোল খেতে দেখেছেন নিজের ভেতরে থাকা একটা জ্ঞানহীন সূর্যকে অবশ্যই ওয়াইন আর বিয়ারের বোতল দিয়ে এ পৃথিবীর ভয়ানক শক্তিশালী পারমাণবিক দ্রাক্ষা লতাগুলোকে ফল দোকানে ঝুলিয়ে সুড়ুৎ করে ঢুকে যাচ্ছেন আরও একটা শক্তিশালী গর্ভগৃহের দিকে, তিনি বের করে আনছেন দ্রাক্ষা লতা আসলে এখানে এক ভয়ানক উত্তরণের কথা বারবার কবিকে উত্তেজিত করে কবি বললেন ‘সে হাল ছেড়ে দিল কারণ তার মুত্রাশয়টি আর চলতে পারছিল না আর হয়তো এটাই ওয়ালস্ট্রিট আর ম্যানহাটনকে বাঁচিয়েছে এবং গির্জা এবং সেন্ট্রাল পার্ক পশ্চিম এবং রোম এবং লেফট ব্যাংক কিন্তু ফার্মাসিস্টের স্ত্রী সে ভালো ছিল’
কি ভয়ংকর নিজের ভেতরে ঘটে যাওয়া দ্বৈত চরিত্র তিনি ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছেন যে বিছানায় ঘুমাতে যান সেই বিছানার তলায় অজস্র বোমার মতো অতি তেজস্ক্রিয় সরীসৃপগুলো হিসহিস করলে নিজের ভেতরে জেগে উঠেন তিনি নিজের ভেতরে লুকিয়ে থাকা তেজস্ক্রিয় হাইড্রোজেন পারমাণবিক ডানাগুলো নিয়ে তিনি উড়ে যান মহার্ঘ্য মহাকাশের দাউ দাউ জ্বলতে থাকা আগ্নেয় গহ্বরের দিকে কালো স্প্যারো প্রেস থেকে প্রকাশিত ‘বার্নিং ইন ওয়াটার ড্রাউনিং ইন ফ্লেম’ থেকে সংগৃহীত
আবার কবি ‘গুগেনহেইম প্রাপকের সাক্ষাৎকার’ নামক কবিতায় তিনি আরও একবার ভয়ংকর অতিবাস্তব চিন্তাচেতনার পরাবাস্তব প্রেম ভদকা কাঁচা রক্ত বিষন্ন সমাজ লাল লেলিহান জিব ইমোশনাল থেরাপি যৌনকর্মীদের প্রতি অনন্য সাক্ষাৎকার প্রশ্ন রসায়ন বিছানা বিরক্তিকর প্রশ্ন বেশ্যার মস্তিষ্ক ঘুমিয়ে থাকার মধ্যে ঈশ্বরীয় শরীরের প্রতি মহা আকর্ষণ বোধ তিনি হি হি করে হাসতে থাকেন ধারালো ছুরি নিয়ে রাতে অন্ধকারে যৌনকর্মীর সাথে আপেল নিয়ে বসে খেতে থাকেন কুচিকুচি করে কেটে দিতে থাকেন প্লেটে প্লেটে ভাগ করে খেতে থাকেন বোতলে ঢালতে থাকেন শিডার ব্যবসা স্যাম্পেন মায়াবী ভদগা বিহার লাল কসমিক চুলের যৌনকর্মীর অনিত্য পিয়ানোর গিটার তার অন্তর্বাসের সূত্র তার থেকে ছিটকে পড়ে যাওয়া অবিনশ্বর তরল কবিতার সুড়ঙ্গ শব্দ যেন মস্তিষ্ক ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া কোন পরিগণিতের পরিসংখ্যান বিষয়ক নিউমেরিক ভ্যালু, প্রিজম্যাটিক আলো ঘরে কবিতার হ্যাংওভার বৃত্তান্তের সব ডার্ক নিজমের মহার্ঘচেতনার লালাগুলোকে লিখে দিচ্ছেন কোন টেবিলের উপর বসে থাকা উলঙ্গ মরুভূমির গভীর গর্তে আঙুল ডুবিয়ে। আসলে এটাই হল মহামতি দীর্ঘচেতনা অ্যাডভান্সড অবসেশান, পৃথিবীকে অন্যভাবে দেখে ফেলার ব্লেডের উপকারিতা কাহিনী কথা , এখানে হত্যা খুব সহজ, কবি বলেন,
যেহেতু তার বেশ্যার পা পাশে ছিল আমার মস্তিষ্ক যেমন আচ্ছা? তুমি কোন কিছুই পরোয়া করো না, কিন্তু যদি তুমি একটা ক্লাস পড়াচ্ছিলে এবং শিক্ষার্থীরা আপনাকে জিজ্ঞেস করছে কোন আমেরিকান কবি? তাদের পড়া উচিত তুমি তাদের কি বলবে? আমি যখন দেখেছিলাম তখন সে তার পা দুটো পার করে ফেলল আমি ভাবলাম আমি এক ঘুষিতেই তাকে ছিটকে দিতে পারি, ৪ মিনিটের মধ্যে তাকে ধর্ষণ কর, লস এঞ্জেলসের জন্য ট্রেন ধরো, অ্যারিজোনায় নেমে মরুভূমিতে হেঁটে যাও
পৃথিবীর আদিম নৃতাত্ত্বিক শিল্পকলা রমন বৃত্তান্ত অর্গাজমিক ফ্যাক্টর সাইকোপ্যাথি বাইপোলার ডিজর্ডার অনিত্য ক্রন্দন সঙ্গমের প্রতি দুর্বার আকর্ষণ সঙ্গম থেকে বেরিয়ে এসে ঈশ্বর উৎপাদন ঈশ্বরের সৃষ্টি ঈশ্বরের ভগ্নাংশ রূপ হ্যাংওভার মুহূর্ত মস্তিষ্কের ভেতরে ঘটে চলা সাইকোপ্যাথিক রসায়ন সংক্রমণ কবিকে বারবার নিয়ে গেছে আরো একটা নির্ধারিত চার মিনিটে তৈরি করা কোন সঙ্গমের পরিকল্পিত নাটকের মঞ্চে আসলে কবি সময় নির্ধারণ করেছেন যে সময়ে মানুষ সৃষ্টি হয় ধ্বংস হয় উন্মাদ হয়ে যায় নিজের কবর খুঁড়তে থাকেন বৌদ্ধদের উপস্থিতিতে সমাধিস্থ করা হয় মৃতদেহ আবার কোন রক এন্ড রোল নামক বিশুদ্ধ খাবার পরিবেশিকাকে নিয়ে উধাও হয়ে যান কোন এক নির্জন দ্বীপের দিকে, তিনি অযাচিত যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন লিভ ইন করেন এক কন্যা সন্তানের পিতা হন মরুভূমিতে হেঁটে যাওয়ার নিস্তব্ধ সঙ্গম শব্দ শুনতে পান কাঁচ কারখানায় টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়া বিরক্তি কর প্রশ্নগুলো মাথার ভেতরে আঁচড় কাটতে থাকে ঘুমের ভিতরে দেখতে থাকেন তার পিতা ধারালো অক্ষর নিয়ে তার দিকেই দৌড়ে আসছে। এগুলো দারিদ্রতার কথা এগুলো সাইক্রিয়াটিক প্যারানুইয়া কথা, রাস্তার ধারে উবু হয়ে বসতেই তিনি লিখে ফেলেন বিপন্ন সমাজে লাথ মেরে ভেঙে দেওয়া আপাত ঘূর্ণাবর্তের কথা তাই তিনি চাকরি ছেড়েছেন পোস্ট অফিসের বাঁধাধরা জীবন পোস্ট অফিসের ফর্ম ভর্তি প্রচুর মানুষের কথাবার্তা তাকে আটকে রাখতে পারেনি। আরও একটা উদ্দেশ্যহীন বিশুদ্ধ জীবন অতিবাহিত করার জন্য ঘুরেছেন এক দশকের মাতাল অবস্থায় আবার পরে পোস্ট অফিসের চাকরিতে থিতু হয়েছেন কিছুকাল।
বারবারা ফ্রাই, লিণ্ডা কিং, জেন কুনি বেকার, ফ্রান্সেস স্মিথ, এগুলো তার জীবনে আসা কোন নারীদের নাম নয়, আসলে একটা অধ্যায় যিনি অধ্যায় থেকে বেরিয়ে সরীসৃপ ইরেজার বক্সে ঝাঁপিয়ে পড়া উন্মাদ বিষন্নতা হাই হিল উঁচু পর্বতের পোশাক নীরবে উল্টে দেখেছেন আরো গভীর উপনিষদের তাজ্জব পৃষ্ঠা সেখানে ভয়ানক অবিনশ্বর পৃথিবী উদ্দেশ্য সব উপসাগর গুলো তিনি নিজেই আঙ্গুল দিয়ে কুরে কুরে তৈরি করেছেন এক একটা কাস্পিয়ান সাগর কবিতার ভিতরে এতো ভয়ানক তাজ্জব অনন্ত সৃষ্টির সিলিকা পাথরগুলো থাকতে পারে বীভৎস পাহাড়ের উঁচু সরাইখানা থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ধ্বসের বিধ্বংসী লালকেল্লা থাকতে পারে সত্যি কবিতার অনুভবি মনস্তত্ব স্তরে না পাঠ করলে কখনোই বোঝা যেত না, ইরেকশন, ইজাকুলেশন একসিবিশনস এন্ড জেনারেল টেলস অফ অর্ডিনারি ম্যাগনেস ফ্লাওয়ার ফিস্ট এন্ড বিষ্টিয়াল অয়েল, উইশ অফ এ ডার্টি ওল্ড ম্যান হট ওয়াটার মিউজিক, 
এ সংকলনে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন যৌনতা বিষয়ক বিভিন্ন গল্প রয়েছে। বুকোস্কির লেখায় প্রায়ই মাদক যৌনতা, দারিদ্র্য, মদ্যপান এবং জীবনের অন্ধকার দিকগুলো উঠে আসে, যা আমাদের নিজস্ব জীবনী অভিজ্ঞতা থেকে নেওয়া, বেঞ্জামিন সেগেরিন বলেছেন কাজে সৎ আত্মপ্রবৃদ্ধি ও ধ্বংসের উদযাপন, তাকে সম্মানের দ্বারপ্রান্তে একজন বহিরাগত হিসেবে তার সমস্ত কদর্যতার প্রকাশ পায় হিংসাত্মক ও যৌন চিত্রকল্প মদ্যপান সহিংস ব্যবহার পুরস্কারান্তরিক মনোভাব বিকৃত রূপে তিনি ব্যঙ্গ করে উপস্থাপিত করেছেন তাই তিনি ব্ল্যাক ইমেজারি ক্ষুধার্ত ক্ষরণ শব্দ নিয়ে পাগলামির নোটস-এ ডাটি ওল্ড ম্যান থেকে গেছেন ওপেন সিটি নামক আন্ডারগ্রাউন্ডের এক পত্রিকায় 
কবিতার ভিতরে কি নেই কার্বলিক অ্যাসিডের ফিটাল লাভা কসমিক আলো তেজস্ক্রিয় দাঁত নরম চামড়া দ্বিতীয় ত্বকের মতো খুলে ফেলা বোতাম জামা উন্মাদ সবুজ উপত্যকা পাহাড়ি ঝরনা, জলপ্রপাত হাড়হিম উন্মত্ততা সেক্স আপিল মাস্টারবেশন না খেতে পেয়ে বেশ্যাবৃত্তি করা চুম্বক চাবুকের মতো অপ্রকৃত হ্যান্ডশেক করতে থাকা প্রাগৈতিহাসিক অধ্যায় কবিতাগুলোকে যেন আরো অনন্য রোমাঞ্চ পূর্ণ ধারালো তীক্ষ্ণ চুরির ফলার থেকেও আরো মারাত্মক চুল্লির উপর বসিয়ে ফ্রাইং রোস্ট করে দিচ্ছে কবি বলেন “এবং তারপর দুজনেই চলে গেল কিন্তু আমার বারবার মনে পড়েছিল যে তার পোশাকটা তার উপর দিয়ে স্খলিত হচ্ছিল দ্বিতীয় ত্বকের মতো। আর আমি শোক ভালবাসা এবং বিষন্নতায় উন্মত্ত ছিলাম এবং বোকা হওয়া যায় না। যোগাযোগ করা যেকোনো কিছু আর আমি ভেতরে ঢুকে বিয়ারটা শেষ করলাম”
এখানে বিয়ার অর্থের শুধু বিয়ার নয় নিজের জীবন নিজের অধ্যায় উন্মাদগ্রস্ত উপত্যকা পাগলা গর্তের নখ জিব ধ্বংসাত্মক পৃথিবীর ভ্রু কোটি আয়নিক চুম্বক রগরগে দাঁতের পাগলামি বন্ধু বিচ্ছেদ নিষ্ঠুর যৌন কামড় কোন স্থাপত্যের মতো একা একা নির্জন রাস্তায় টলতে টলতে চলে যাওয়া মহানাগরিক তীর্থ যাত্রীরা তার অপার্থিব মৈথুনের সঙ্গম দৃশ্য পায়ে থেঁতলে ফাটিয়ে ফেলছে এক একটা অসুস্থ কমলালেবুর কোয়া। যেখানে কবিতা মধ্যরতির জীবাশ্ম ছিঁড়ে বের করে উলঙ্গ শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি ঘটাতে পারে প্রতিটা মুহূর্তে এখানেই তার সত্য সুন্দর পবিত্রতার ভয়ংকর বীভৎস কাল্পনিক ঋ কার আর্তনাদ করছে কোন জাপানি মহিলার মতো সেখানে ঈশ্বর আছে ঈশ্বরের কালো পোশাক পরে সে প্রতিদিন নিজেকে বিক্ষত করে বিদ্ধ করে মাথার ভেতরে ১২ ইঞ্চির পেরেকগুলো ঠুকেঠুকে আরো ঢুকিয়ে দেয় , নিজেই নিজের কাছে ঘাতক হয়ে যায় আবার নিজেই নিজের কাছে ঈশ্বর হয়ে যায় প্রভু হয়ে যায় মারাত্মক ল্যাম্পপোস্ট হয়ে যায় পথভ্রষ্ট কোন ক্ষত মাখা অতি রঞ্জিত জাপানি নারী হয়ে যায়। যে রুটির মতো একটা ভয়ানক খাদ্য খাদকের সম্পর্কের বেড়াজাল ভেঙে একটা ধারালো ছুরি ভেঙে দেয় তৎক্ষণাৎ বিধ্বস্ত মাথার ভেতরে থাকা অলীক ব্রহ্মাণ্ডের নীলাভ পরাবাস্তব বিছানায় এসে মাকড়সার মতো কিলবিল করতে করতে তার ভেতরে থাকা হস্তমৈথুনের থেকেও আরো মারাত্মক যক্ষা রোগগ্রস্ত বিকারকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে মিলিয়ে দেয় নিজের কাছে বিধ্বস্ত হয়ে যার বারবার ম্যাজিক রিয়েলিজম অতি পরাবাস্তক নীল নক্ষত্রের কুষ্ঠ রোগ অথবা মোহগ্রস্ত কোন কাঁচের ছুরির ভেতরে থাকা অন্যায় বিহীন আইনজীবীদের উল্লেখ করেন যারা পথভ্রষ্ট অথচ মোহভঙ্গ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সবুজ পাখির মতো দেয়াল থেকে নেমে অতি আনন্দে কুঁড়েঘরের ভেতর কিলবিল করতে থাকা নিশাচরদের ধরে উন্মাদ নারীর মতো নিজের বিছানার নিচে ঝিনুক খুঁজতে খুঁজতে পথভ্রষ্ট দুগ্ধবতী সমুদ্র থেকে উঠে আসে নিজেদের সেতুপথ আলগা করে দেয় আসলে এটাই হলো ভয়ানক বাস্তবতা যে মাতাল কবি যে পরা বাস্তবের কবি যে অতিচৈতন্যের কবি ভয়ানক বাস্তব দেখে ফেলে সে নির্জনে তার বুকের পাঁজর আলগা করে পৃথিবীকে তার উলঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখায় উলঙ্গ হিমগিরি দেখায় উলঙ্গ মহাকোষীয় ধ্রুবতারা নক্ষত্রের প্রোটোজাইলেম দেখায় আর অট্টহাস্য হাসতে হাসতে ডলারের হিসাব করে জুয়া খেলে আর রাস্তার ধারে উন্মাদ বোতলের ছিপি খোলে কবি বলেন 
আমি ঘরে ফিরে দেখি দরজা বন্ধ আর যখন ভেতরে ঢুকলাম সে রুটির ছুরিটা ভেঙে ফেলল আর আমাকে বিছানার নিচে তাড়া করলো, আর তার বোন এসেছিল আর ওরা আমাকে দুই দিন ধরে সেই বিছানার নিচে রেখেছিল এবং যখন আমি বেরিয়ে এলাম অবশেষে তিনি আইনজীবীদের কথা উল্লেখ করেননি। শুধু বলেছি তুমি আর কখনো আমার সাথে অন্যায় করবে না...
আবার 
আর আমি সেগুলো নামিয়ে মুখ নিচু করে রাখলাম আমার শার্টের সাথে একটা ড্রয়ারে এবং এটিই প্রথমবারের মতো আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে সে মৃত ছিল। যদিও আমি তাকে কবর দিয়েছিলাম আর একদিন আমি আবার সব বের করে আনব , সব ধূসর মুখের ছোট মানুষগুলো তাদের সেতু এবং কুঁড়েঘরের পাশে আনন্দের সাথে বসে এবং পাহাড় কিন্তু এখনই না
কবিতাটির ভেতর অন্যায় না সমঝোতা ? অন্যায় হত্যা না সমঝোতার হত্যা? নিহত না পরিকল্পনামাফিক নিহত? বলাৎকার নাকি সমঝোতার বলাৎকার ?যেখানে শার্টের খোলা বোতাম হাওয়া জীবিত থাকে নগ্ন বিছানার নিচে উপুড় হয়ে বসে থেকে সবকিছু দেখতে থাকি তাদের উলঙ্গের বদ অভ্যাস ড্রয়ারে খুলে নিজের মৃতদেহের মতো তার অন্তর্বাস লুকিয়ে রাখে সে ভয়ানক উন্মাদ হয়ে যায় সে ভয়ঙ্কর উত্তেজক পদার্থ ড্রয়ার খুলে সে বেরিয়ে আসে উলঙ্গ ব্লেডের মতো মুখে ধারালো চকচক নিয়ে অথচ তার গায়ে আদিম পবিত্র ঈশ্বর ও একেশ্বরবাদের বদ্বীপ কথা লুকানো আছে কবি তার এই দ্যা জাপানিজ ওয়াইফ নামক কবিতাটি দা রুমিং হাউস নামক কাব্যগ্রন্থ থেকে সংগৃহীত । 
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী ভয়ানক পরিস্থিতি, ভয়ানক রাজনীতি সমাজনীতি অর্থনীতির দোদুল্যমান অবস্থা ধ্বংসাত্মক চিন্তা চেতনা প্রেম বিরহের টানাপোড়ন ধর্মনীতির কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত নীলাভ সমাজতন্ত্র সেই মুহূর্তে তিনি তার পতাকা উড়িয়ে চলেছেন লিখে চলেছেন অ্যাবস্ট্র্যাক্ট ইমেজারি আর অতি বাস্তব জঘন্যতম দারিদ্রতার মগজাস্ত্র, ঋকবেদ হাওয়ার মতো ভয়ানক কাল্পনিক অথচ বাস্তব অতিনির্মিত পৃথিবীর মহা ক্ষেত্রফলে উঁকি দিয়ে দেখছেন এক একটা জঘন্যতম নরকের জাহান্নামের কুঠুরি , তিনি বলেন,
অন্ধকারকে যুদ্ধে আহ্বান
চোখে গুলি মারা
মগজে গুলি মারা
পোঁদে গুলি মারা 
নাচে ফুলের মতন গুলি মারা
অদ্ভুত কেমন করে মৃত্যু বেমালুম জিতে যায়
অদ্ভুত যে হাসাহাসিকে কেমন করে চুবিয়ে দেওয়া হয়
অদ্ভুত যে বদমেজাজ কেমন একটা ধ্রুবক
ওদের যুদ্ধের বিরুদ্ধে আমাকে তাড়াতাড়ি যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে
চোখে গুলি মারা, মগজে গুলি মারা, অন্ধকারকে যুদ্ধে আহ্বান পোঁদে গুলি মারা এগুলো আসলে দৃশ্যকে হত্যা করা সমাজকে হত্যা করা অর্থনীতিকে ধ্বংস করা আবার ধ্বংসাত্মক কথা বলতে বলতে মহা আনন্দে সবকিছু উপেক্ষা করে ফেলারও শক্তিটুকু অর্জন করেন কবি। তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে আবারও মেতে ওঠেন পরম প্রেমিকের সাথে আত্মার সাথে বারবার তিনি নিবিড় সংযোগে আবদ্ধ হয়ে পড়েন তিনি তাকে আহ্বান জানান মহাত্মা অনন্তের ভৌম সমাধির অতলে নিজেই নিজের জন্য ঘুরতে থাকেন গন্তব্য পরবর্তী একটা বিশ্রাম কক্ষে , কবিতার অক্ষর কতো ভয়ানক বাস্তব হতে পারে কবিতার অক্ষর কতো রক্তাক্ত হতে পারে, কবিতার অক্ষর কতো অযোগবাহ হতে পারে। কবিতার অক্ষর কতো সমাপিকা হতে পারে কবিতার অক্ষর কতো লালারস রাতের তৈজস রাজসিক সাত্ত্বিক মহা চেতনায় জর্জরিত ভেঙে দেওয়া সূক্ষ্ম কম্পাঙ্কের নৌ বাহিনী থেকে ছিটকে বেরিয়ে আসা অন্তরাত্মার তীর্যক অভিমুন্য হতে পারে তা তিনি দেখিয়েছেন প্রতিটি কবিতার ভিতরে। কবিতার অক্ষর কতো মর্মান্তিক দ্য গ্রেট এসকেপ কবিতায় আরো সমাজের ভিন্নতর কদর্য রুপ দেখিয়েছেন , কোথায় যাওয়া যায় বারবার? যাওয়া কি যায় কখনো?
শোনো কখনো কাঁকড়া ভর্তি বালতি দেখেছ? আমি বললাম না তো দেখিনি। আচ্ছা শোনো যেটা হয় একটা কাঁকড়া যখন অন্যগুলোর উপর দিয়ে বালতির উপরে উঠতে থাকে যেন পালিয়ে যেতে পারবে তখনই আরেকটা কাঁকড়া তাকে টেনে নামায় সত্যি? আমি জিজ্ঞেস করলাম হ্যাঁ নিশ্চয়ই আর এই চাকরিটাও ওরকম , এখান থেকে কেউ চলে যেতে চাইলে অন্যদের কেউ তা চায় না এই ডাক বিভাগে
পৃথিবীতে সেই ধ্বংস করতে পারে যে সৃষ্টির আদিম বুননতত্ত্ব নিজেই জেনে ফেলেছে অনায়াসে , নিজেই নিজের জন্য শিব পুরাণ লিখছে। ভয়ানক আত্মস্থ হয়ে নিজেকেই ভয়ংকর প্রাপ্তবয়স্কের মতো নিজের দরজার কাছে হুক ঝুলিয়ে পৃথিবীর ফুসফুস গুলো ছিঁড়ে কুচি কুচি করে টাঙিয়ে দিচ্ছে ভেজা জামা ঝুলানো হ্যাঙ্গারের ভেতর , এটাই আসলে দীর্ঘ পলায়ন কথা আসলে যে পালিয়ে যাওয়ার মন্ত্র শিখে নেয় যে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার ভয়ানক মহাজাগতিক কথা শিখে নেয় সে নিজের কাছে ক্রমশ দুর্দমনীয় হয়ে ওঠে কিন্তু পালিয়ে কোথাও যাওয়া যায় না কোনদিন। নিজের ভেতরেই বারবার স্থিতধী হতে থাকে ওয়াইন বোতল শেষ হয়ে যায় বিয়ারের বোতল শেষ হয়ে যায়, একটা শ্যাম্পেনের খালি ক্যান শেষ হয়ে যায় তবুও তার ভেতরে কোন এক মানুষ অবিনশ্বর ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে ভুলভাল টাইপ রাইটারে টাইপ করতে থাকে ১১তম শব্দের অতি বিস্তৃত বিছানাহীন নারীদের অদৃশ্য অবয়ব , দ্রোণাচার্যের মতো তিনি গর্জন করেন গর্জন করেই নিজেই নিজের কাছে বিশুদ্ধ বমি হয়ে ওঠেন প্রকাশক হয়ে ওঠেন ভয়ানক আত্মার মতো রকেট সেজে আত্মহত্যা ও খুনের মতো সূর্যের ভয়ংকর তলপেটে ঢুকে যাওয়ার নিদ্রাহীনতার লাল কচ্ছপগুলো ঢুকিয়ে নিচ্ছে নিজের শরীরের ভেতর কি ভয়ংকর সাহসিকতায় কবি লিখতে পারেন প্রতিটা শব্দের প্রক্ষেপণ ভঙ্গি নিজেকে এক্সক্লাবেটারের কাঁটাতে গেঁথে ঝুলিয়ে দেন শব সংরক্ষণাগারে। হ্রদের ভিতরে দুই তাঁকে এক একটা পার্চমেন্টের কাগজ কবি বলেন,
যদি তোমাকে প্রথমে এটি তোমার স্ত্রীকে পড়তে হয় অথবা তোমার বান্ধবী অথবা তোমার প্রেমিক অথবা তোমার বাবা-মা অথবা অন্য কারো কাছে তুমি প্রস্তুত নও অনেক লেখকের মত হও না
আবার বলেন,
যদি না এটি বেরিয়ে আসে তোমার আত্মা রকেটের মতো, যদি না স্থির থাকতো তোমাকে পাগলামির দিকে ঠেলে দেবে অথবা আত্মহত্যা অথবা খুন , এটা করোনা ,যদি না তোমার ভেতরে সূর্য থাকে তোমার পেট পুড়িয়ে ফেলা , এটা করোনা
আত্মা ভয়ঙ্কর আত্মার ভেতরে থাকা তেজস্ক্রিয় মৌলিক পদার্থগুলো ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এখানে মরুদ্যান আর মরুপাথরের মতো কিলবিল আত্মহত্যার ফসিল 
অজস্র নারী সঙ্গ অজস্র বিছানায় দুলতে থাকা ধূমপান ও মদের খিস্তি খেউড় ব্যবহারকারী আলোচিত সাম্মানিক আসনে বসিয়েছেন তিনি জার্মান হলেও মার্কিন নাগরিক ছিলেন , প্রায় ষাটের বেশি প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কয়েক হাজার কবিতার জন্ম দিয়েছেন প্রকাশ্যে মদ ধূমপান সাহসী রচনা শৈলীর কবিকে আন্ডারগ্রাউন্ড নিউজ পেপার open city তে দীর্ঘদিন একটি নিবন্ধ লেখার কারণে নোটস অফ দ্য ডার্টি ওল্ড ম্যান নামে ভূষিত হয়েছেন কেন এমন বললাম তিনি তো ভয়ংকর কুৎসিত কথা লিখতে পারেন যে ঈশ্বরী সুন্দরের পবিত্র আর্তনাদ আর তার লেলিহান জিভটাকে বারবার টেনে হিঁচড়ে জলাতঙ্ক রসের ভেতরে কতগুলো যক্ষা রোগের মহা পৃথিবীর অদ্ভুত ধারালো দাঁতগুলো আক্রমণাত্মক হয়ে আছে , তিনি নিজেই নিজেকে বারবার মেলে ধরেছেন সাহিত্যের অঙ্গনে সফল হয়েছেন, তিনি সাধারণ মানুষের চিন্তা-চেতনার গভীর মর্ম কথাকে সাবলীল ছন্দ ভাষায় সাবলীল মনস্তত্ত্ব দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে উপস্থাপন করেছেন তাই তিনি মার্কিন সাধারণ জীবনের কবি হিসেবে উল্লেখিত হয়ে থেকে গেছেন বারবার, চিরহরিৎ শালবৃক্ষের নিচে দাঁড়িয়ে যৌন ব্যবসায়ীদের জন্য কবিতা লিখেছেন সেই যৌন ব্যবসায়ী যার মুখটা রঙিন ফয়েল দিয়ে মোড়া, ভেতরে অন্তর্দাহ শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাওয়া ঘুমের ওষুধের নাব্যতায় জল ভর্তি ড্রাম থেকে কল কল করে বেরিয়ে আসা জলপ্রপাতের হিসাবশাস্ত্র তিনি নিজেই নিজের জন্য উন্মোচিত করেছেন বারবার , তিনি বুক বারবেট শ্রোডারের জন্য একটি চিত্রনাট্য লিখেছিলেন তার ব্যক্তিগত জীবন কবিতার অক্ষর যেইভাবে সুন্দর অজ্ঞান কিভাবে জড়িয়ে আছে তা কল্পনা দিত , সমসাময়িক লেখক জন ফান্টে চার্লস উইলফোর্ড নেলসন অ্যালগ্ৰেন লুই ফার্ডিনান্ড সেলিন, ফ্রাঞ্চ কাফকা ছিলেন তার সমসাময়িক কবিদের মধ্যে অন্যতম যাদের সাথে তার কবিতা টক্কর পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যায় তার প্রতিটি শব্দের ভান্ডার পূর্ণ করে, তিনি নিজেই নিশাচর রমণীদের মতো তাদের ঠোঁট থেকে লিপগ্লস অন্ধকারের দরজা ভেঙে ঢুকে যায় জোর করে বলাৎকার করে আগুনকে চুষে চুষে খায় পবিত্র চুষি কাঠি চুষতে থাকেন ভয়ংকর ভাবে মন্দির গির্জাকে ঈশ্বরকে গালাগাল করেন আবার নিচু হয়ে মহাবিশ্বের দরজা আড়াল করে দেখতে থাকেন কি ভয়ংকর কার্তেজীয় স্থানাঙ্কের মহা ধ্রুবক পাই রেডিয়ান কথাগুলো কেমন বিশুদ্ধ আলোকমন্ডলীয় তেজস্ক্রিয় পৃথিবীর কাছে লাল নিষেকের কাঁকড়ার পিঠগুলোকে টেনে হিঁচড়ে রক্তাক্ত কড়াইয়ের ভিতর ফুটন্ত অবস্থায় ছেড়ে দিয়ে আবার ছেঁকে ছেঁকে তিনি ক্ষত্রিয়ের মহা পাতালের রাজপ্রাসাদ পাহারা দিতে যায়। কতো বীভৎস শব্দের অধিকারী হলে এমন মহার্ঘ্য চেতনায় নিজেকে জড়িয়ে রাখতে পারেন , তিনি চুরমার করে দিতে পারেন তিনি ভয়ানক। উদ্বাস্তু হয়ে যাওয়া সেনাবাহিনীদের জাহাজের থেকেও আরো উৎক্ষিপ্ত আগ্নেয়গিরির নীরব সাবমেরিন থেকে উদ্ভূত আগ্নেয় ফলা নিয়ে ইস্পাত কারখানায় ১২ ইঞ্চির পেরেকে তৈরি করছেন আলাদা একটা বমি ও পচনের ব্রহ্মাণ্ড, বুদ্ধের উপর বিশ্বাস ছিল তেমনি ইংল্যান্ডের চার্চের প্রতি নিজের জীবন নিজের অস্বীকার নিজের লিভ ইন নিজের যুদ্ধ পরবর্তী সংসারে উদ্ভূত অর্থনৈতিক মন্দায় নিজেকে ক্যাথোড রশ্মির থেকে নির্গত রেডিয়াম কারখানায় টিমটিম করে জ্বলে ওঠা ভয়ংকর পাপীরা সে আগুন ধরিয়ে দীর্ঘশ্বাস নিয়ে মহাকাশের দিকে মুখ করে তাকিয়ে আহ্বান জানাচ্ছে ধারালো গ্রাফাইটের তরোয়াল , নিজে নিজের জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন যুদ্ধ পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দা জাতীয় শ্রেণী সংগ্রামের ব্ল্যাক সোডায় আক্রান্ত করছে পত্রিকা মানুষকে। আসলে তিনি এক নোংরা বাস্তববাদ ধারার প্রভাবশালী কবি ভয়ংকর এক বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ "লাভ ইজ এ ডগ ফ্রম হেল" ব্ল্যাকস্প্যারো থেকে প্রকাশিত একটি ভয়ংকর কাব্যগ্রন্থ ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। 

কবি "মিনি স্কার্ট করা এক মেয়ে বাইবেল পড়ছে আমার জানালার বাইরে" কবিতায় এক আলোকিত অপ্সরাকে দিয়ে শুরু করলেন কাব্য অক্ষরগুলো তিনি শুধু মিনি স্কার্ট পড়া এক মেয়েকে দেখছেন না তিনি এক ধর্মের প্রতি আনুগত্য থাকা প্রচার বিমুখ মানুষের কথা বললেন যে তার ভয়ানক বিষের থলি গুলো কাঁধে নিয়ে পৃথিবীর উর্বর ক্ষেত্রে বারবার হাঁটছে , তিনি বড় আধ্যাত্মিক না থাকলে ঈশ্বর পেরিয়ে বিগ ব্যাং প্রোটন বিস্ফোরণ পারমাণবিক কামড় লাল চা ফুলের মতো আরো সুগন্ধি সেই নারীর অবয়ব রূপ দেখতে থাকে যে তার ধর্মগ্রন্থের একটা ছবি কেমন জানালার বাইরে মুখ বের করে অর্থোডক্স পৃথিবীর সব ধর্ম কথা পড়ে নিচ্ছে, বিশাল বাদামী চোখ তার বাইবেল থেকে সরছে না মৃদু ছন্দের মতো সে পা নাচাচ্ছে। আর বাইরে তাকাচ্ছে তার বৃহৎ সোনার ব্রেসলেট পরা একটা মিনি স্যুট পরা আলিঙ্গনরত পৃথিবীর হাস্যকর তাপমাত্রা ,যা সূর্যের আলোয় ক্রমশ উষ্ণ হতে থাকে শরীরকে আলিঙ্গন করতে থাকে অথচ পালিয়ে যাওয়ার মতো ভয়ানক বিশুদ্ধ আক্রমণাত্মক দাঁত নেই নিজের শরীরটাকে অসংখ্য খণ্ডে টুকরো টুকরো করে ফেলেন ত্বক দীর্ঘ লম্বা পায়ের মতো একটা ঐক্যতানের সুর বেজে ওঠে আবার লোমহর্ষক গিরিখাত দিয়ে কবি নামতে থাকেন কোন কারখানায়। বদ্ধ কারখানায় যেখানে ওৎ পেতে থাকে হিংস্র দানব ভয়ানক সত্য কথা বলেছেন প্রতিটি কবিতার শেষের বাক্যে তিনি বলেন "সে কালো সে কালো মেয়ে সে ঈশ্বরের কথা পড়ছে আমিই ঈশ্বর" নিজের আত্ম সমীক্ষা তন্ত্রের গুরু মস্তিষ্কের সাদা গ্রে ম্যাটার গুলো কিভাবে আরো পবিত্রতার উন্নতি কোণে স্থাপন করলে এমন শ্বাসরুদ্ধকর তীব্র অথচ পবিত্রতার থেকেও আরো চকচকে বিশুদ্ধ কথা বলতে পারেন 

আসল কথাটাই বললেন তিনি আমি ঈশ্বর কারণ কোন মানুষ যখন সব ধরনের কামনা বাসনা চাওয়া-পাওয়া রিপু কাম ক্রোধ লোভ স-কাম প্রবৃত্তির থেকেই মুক্ত হতে থাকে সত্যি সত্যি সেই মানুষ সেই কবি সেই হাসপাতালের রক্ষী যারা তাদের ভেতরে লুকিয়ে রাখা অতি বাস্তব অতি সত্যবাদীতার কুমেরু বৃত্তের ভেতরে দাঁড়ানো সূর্যের অসংখ্য খন্ড দিয়ে তৈরি সোমনাথ মন্দিরের মতো আরও ভাস্বর জ্যোতিষ্ক মন্ডলী সুদর্শন চক্রের তলায় কবি ঘুমন্ত মাতালের মতো একটা পেন্ডুলাম দোলাবে , কবি ভয়ানক হয়ে যাবে খ্রিস্টের দোহাই দিবে সত্য বিশ্বাস বাচ্চাটা অপ্রস্তুত অবস্থায় তার জুতো নেই এমন ম্যানফ্রেড থেকে চিৎকার করে ওঠা মায়ের জন্য তিনি যীশু খ্রীষ্টের কাছে অবাধ প্রার্থনা করবে , টিমটিম করে জ্বলে উঠবে সবকিছু ভয়ানক হয়ে যাবে হেডশেকারদের কাছে তিনি ১১৫ ডলার জুয়া জিতবেন আবার বিছানায় নগ্ন হয়ে তিনি কোন এক রেড অক্স সিনেমার বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে স্কচ অর্ডার করবেন, 
একটা পকেট থেকে একে ৪৭ বের করতে থাকেন তিনি শ্বাস রুদ্ধকর ভয়ানক কবিতার ভিতর ঈশ্বরীয় বোমা ফেলে দিতে পারেন। তিনি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারেন এক একটা জনজীবনের অস্তিত্ব কবিতার নাম "সে বেশ্যার প্রতি যে আমার কবিতা নিয়ে গেছে"
পরেরবার আমার বাম হাত নিয়ে যেও অথবা অর্ধেকটা। কিন্তু আমার কবিতা নিও না , আমি শেক্সপিয়ার নই কিন্তু কখনো বা নেহাত আর কিছুই থাকবে না বাকি বিমূর্ত অথবা অন্য কিছু সব সময় টাকার বেশ্যা মাতাল থাকবে। শেষ বোমা ফেলা পর্যন্ত কিন্তু ঈশ্বর বলেছেন পায়ের উপর পা তুলে
কবিতা এতো বাস্তব হতে পারে কবিতায় এতো ঈশ্বর বিকৃত ঈশ্বর যৌন ঈশ্বর চাক গাছের পাতা মাতালের পকেট বেশ্যার টাকা মাতাল বোমা ঈশ্বরের পা আর সৃষ্টির নিখুঁত জবানবন্দী কিভাবে কবিতার ভেতরে গিটার বাজাতে বাজাতে তার অন্তর্বাস খুলে ঢেকে দেয় এক একটি মৃত্যুর স্বীকারোক্তি , কবিতায় যেমন মৃত্যুর স্বীকারোক্তি রয়েছে তেমনি বিছানায় ঝাঁপিয়ে পড়া বিড়ালের মতো অদৃশ্য শূন্যতার কথা সরিয়ে রেখে ফেলার মতো এক সূক্ষ্মতম রাত্রির কথা যে প্রিয় স্ত্রীর মতো অর্থহীন কথা বলবে আবার মাঝরাতে চিৎকার করে সব চমৎকার চিত্রিত ভিন্নতায় এঁকে দেবে এক একটা বিস্ময়কর পঙতি, পাগলা ঘোড়ার উদভ্রান্ত অনুতাপ ছাড়া আর কিছুই প্রমাণ সাপেক্ষ বমি নেই এখানে, যারা মৃত্যুর অভিযোগ করে আর পাশ বালিশে ঘুমিয়ে থেকেই নির্ঝর নিস্তব্ধের মনুমেন্ট থেকে লাফিয়ে হেমলক কিনে নিয়ে যায়। চকমকে হীরের মতো ক্ষুধার্ত বাঘ নেমে আসে। নীলাভ পাখিরা ছটফট করে কাউকে ধ্বংস বিষয়ক শিল্প দেখাবে বলে , এতো পবিত্র এতো উন্মাদ এতো ভয়ংকর ধারা বিবরণী চোখে আঙুল দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়ার মতো মহাশ্লোক যেন গীতবিতানের নষ্ট মাঝি একাই পেরিয়ে যাচ্ছে জাহাজের অতীন্দ্রিয় পাহারাদার দরজা ভেদ করে , সেখানে দিমুখি সাপের থেকেও আরো কর্কটক্রান্তি রেখায় ঘুরতে থাকা প্যাচানো, শ্বাপদ সঙ্গী প্রবাল পাথর আছে ক্রিস্টালাইজ চুম্বক আছে বুকের পাঁজরে হাত বোলাতে থাকা একটা হৃদযন্ত্রের রোগী থাকে যে তার মৃত্যুমুখো শ্মশানের কাছে একাই নিজের হৃদস্পন্দন মেপে নিচ্ছে কোন কার্ডিওথোরাসিক সার্জনের মতো , এত বিশুদ্ধ সবুজ বিয়ার ক্রুশবিদ্ধ মৃত্যুদণ্ডের মতো ২৫ বছর আগে একটা সিগারেটের টিনফয়েল থেকে বেরিয়ে এসে ধবল হিমালয় করে দিচ্ছিল সবকিছুই, মৃত মানুষদের মুখের ওপরে সাদা তানপুরার বীজ ছড়িয়ে দিচ্ছিল 
""এক আহত নীলাভ পাখি আছে আমার বুকের ভিতর সে প্রকাশ্যে আসতে চায় অথচ অতটাও নরম নই আমি , তাকে শাসাই খবরদার কেউ যেন কখনো তোমার কথা জানতে না পারে এক আহত নীলাভ পাখি ছটফট করে, আমার বুকের ভেতর থেকে বের হতে চায় আমি তাকে চুবিয়ে রাখি মদের ভিতর। ধূমপান করে দম বন্ধ করে রাখি বেশ্যারা বার টেন্ডাররা মুদি দোকানের লোক গুলো তার কথা কিছুই জানে না"" ( ভিড়ের মাঝে অনন্য এক মুখ )
কবিতা কি পরিমানে ম্যাজিক রিয়ালিজম হতে পারে কবিতা কি পরিমাণে পলিডাইমেনসানাল হতে পারে কবিতা কিভাবে ব্ল্যাক হোল অতি ধূম্র কোটি উনকোটি বাকযন্ত্রের নিচে থাকা তাজ্জব অক্ষরের মতো লেলিহান শ্বেত রক্তকণিকায় পরিপুষ্ট হতে পারে আবার স্পিরিচুয়াল হতে পারে ননস্পিরিচুয়াল হতে পারি তা কবি বুকোস্কির লেখা না পড়লে সত্যি সত্যি বোঝা যায় না , এতো ভাংচুর এতো নতুন দৃশ্যের উপস্থাপনা এতো ক্ষুধার্ত হাহাকারের কামনা পীড়িত আর্তনাদ এতো বিশ্বাস এতো অবিশ্বাস এতো বন্দী এতো মুক্ত এতো আলো এতো অন্ধকার এতো নগ্নতা এতো জীবিত এতো রমণীয় তাজ্জব হয়ে যেতে হয় সাপের জিভে লেগে থাকা নিউরো টক্সিনের মতো ছুঁয়ে দিলেই নীল হয়ে যাচ্ছে প্রতিটি বিশ্বাসঘাতকতা টিপে টিপে তিনি একাকী নিজের ভেতরের বিশুদ্ধ আজ মাটিকে নিয়ে নিজের ভিতর আত্মবিশ্বাসের চাদর জড়িয়ে পৃথিবীর বুকে ভাগাড় হয়ে যাওয়া বিছানার উপর শুয়ে থেকে হাড়ের নগ্নতা দেখে উত্তেজনায় ফেটে পড়ে , কোথাও কবি মেতে উঠেন আনন্দে উদ্দাম নটরাজের মতো ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেন শরীরের হাড়গোড় মাত্রাতিরিক্ত নশ্বরতা ঈশ্বর হেসে ওঠে খুশিতে চকচক করে ওঠে তার মুখ কবি বলেছেন"" হাড়ের নগ্নতাকে ঢেকে রাখে মাংস মাঝে মাঝে কেউ তার ভেতর দয়া করে একটু চিন্তা রাখে কখনো বা সামান্য অনুভব রমণীরা দেওয়ালে আছাড়ে ভেঙে ফেলেছে সুদৃশ্য ফুলদানি গুলোকে পুরুষেরা পান করার মাত্রা ছাড়িয়ে ফেলছে কেউই এখানে কাউকে খুঁজে পাচ্ছে না"" 
এ খোঁজা কি অনন্তের খোঁজা ? এ খোঁজা কি সত্য আবিষ্কারের জন্য খোঁজা নতুন কোন মৌলিক অস্তিত্ব খুঁজে বের করানো অথবা কৃষ্ণগহ্বরের ভেতরে আরো কোনো ধূসর ধূলিকণা মাখানো একটা গ্রহ উপগ্রহ নক্ষত্রের খোঁজে মাইক্রোস্কোপ হাতে নিয়ে অতি তড়িতের মাত্রাতিরিক্ত তীর ধনুক নিয়ে বেরিয়ে যাওয়া ক্ষত্রিয়ের মতো এই সত্য খোঁজাই কি আদমের অস্তিত্ব ইতিহাসবিদের মতো বিজ্ঞানের সুক্ষ্মতম কোষকে খোঁজা নাকি সেই অনন্ত জীবন্ত অলীক ব্রহ্মাণ্ডের নির্ণেয়মান এক অবিনশ্বর রহস্যময় আত্মাকে খুঁজে চলার দীর্ঘ তপস্যা হেনরি চার্লস বুকোস্কির, আরও অজস্র কবির মতো তিনি নন তার চরিত্রের বেপরোয়া ভাবটি না তুলে আনলে কবিতার অক্ষরের ঘূর্ণায়মান যে কবিতা বিপ্লব তার মাহাত্ম্য কখনোই বোঝা সম্ভব নয় হুইটম্যান থেকে সিলভিয়া প্লাথ, এলিয়ট থেকে শুরু করে গ্রিন্সবার্গ সবাই নিজের মতো কবিতাকে ভাঙচুর করে আল্ট্রা মডার্ন ফিজিওলজিক্যাল ট্রান্সভার্স অ্যাক্সিস অ্যাসট্রোফিজিক্স মেটাফিজিক্স জিও ফিজিক্স থার্মোডিনামিক্সের মতো সমগ্র উপাদানগুলো একটা উপস্থাপনার তলায় আনার বারবার চেষ্টা করেছেন সেখানে হেনরি চার্লস বুকায়োস্কি সফল হয়েছেন , 
So now , alone with everybody , the laughing heart , blue bird , the genius in the crowd , কবিতা গুলো তাকে অনন্যতার শীর্ষে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি মাইলস্টোন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে , 
"" একটি ইতিহাসের বই ওহ ঠিক আছে আমি বললাম আর আমি জানতাম যে আমার আরো এক সপ্তাহ বাকি আছে ভাড়া মানে কড়া হাতে। তাই আমি ধারে ওয়াইন পান করে বসে রইলাম আর গরম পায়রা গুলো দেখছিলাম , আমার গরম ছাদে কষ্ট পাও এবং চোদাও
আমি খুব জোরে রেডিও চালু করলাম ওয়াইন পান করলাম এবং ভাবলাম কিভাবে আমি একটি ইতিহাসের বই তৈরি করতে পারি আকর্ষণীয় কিন্তু সত্য , কিন্তু জারজটি আর ফিরে আসেনি এবং অবশেষে আমাকে একটা রেলওয়ে ট্র্যাক গ্যাংয়ের সাথে চুক্তিবদ্ধ হতে হল পশ্চিমে যাচ্ছি আর তারা আমাদের খাবারের ক্যান দিল কিন্তু না ওপেনার এবং আমরা সিট এবং পাশের ক্যান গুলো ভেঙ্গে ফেললাম ধুলোয় ঢাকা ১০০ বছরের পুরনো রেলগাড়ি খাবার রান্না করা হয়নি এবং জলের স্বাদ ছিল মোমবাতি
কবিতার নাম একজন খারাপ কবি এবং একজন ভালো কবির মধ্যে পার্থক্য হল ভাগ্য"" কাব্যগ্রন্থের নাম burning in water drowning in flame , (1955-1973)
সর্বোপরি একটি কথা না বললে বোধহয় চার্লস বুকায়োস্কি সম্পর্কে সবকিছু অসম্পূর্ণ থেকে যাবে তা হলো চার্লস এক দেশলাই কাঠি নিজের ছোট গল্প উপন্যাস কবিতার জন্য মাঝরাতে উঠে চিৎকার করতে পারেন কবি আসলে পৃথিবীর নোংরামির প্রত্যক্ষদর্শী নোংরা খেয়ে পবিত্রতার শুদ্ধ পাত্রে ঢেলে প্রদর্শন করার এক সুক্ষ্মতম কারিগর কবি আসলে একটা স্কচ অর্ডার করা বাঁকা লিঙ্গ ধরে থাকা একটা পবিত্র বার কিপার কবি আসলে একটি গাড়ি চালিয়ে যাওয়া একটা বিশুদ্ধ সাইনবোর্ড কবি আসলে একটা বিশুদ্ধ চিৎকার যে তার নিজের সকল উত্তেজক মার্কা মহিলার শরীর থেকে বেরিয়ে লাফিয়ে বিয়ার ক্যান ভর্তি রাস্তা থেকে সরিয়ে তুলে নিতে পারে এক একটা কসাইখানার অস্ত্র ও ঘোড়দৌড়ের মাঠ । কবি আসলে একটি ফ্লাওয়ার্স অফ ইভেল পোর্টফোলিও। নিজের বিছানার নিচে জমে থাকা একটা ছেঁড়া মোজার দর্শন তীক্ষ্ণগল্প মর্মস্পর্শী কবিতার মাধ্যমে অনন্য জীবনধারার কঠোর সংলগ্ন দৃষ্টিভঙ্গির ছবি আঁকতে আঁকতে কখন পরাজাগতিকতাকে ছাড়িয়ে চলে গেছেন ব্রাউনিয়ান কলোয়েডিয়ালে আবার এঁকে ফেলেছেন সৎ চিত্রায়ন জীবনের নীল নকশা , ব্লু হেভেন অফ পিস
কবিতাই নিজের ভেতরে জাহান্নামের কুকুরকে আলিঙ্গন করেন তার মর্মস্পর্শী একটি উক্তি "যা ভালোবাসো তা খুঁজে বের কর এবং তা তোমাকে মেরে ফেলতে পারে" কি ভয়ঙ্কর চেতনার শক্তি নিয়ে শাল গাছের কাছে তিনি সবুজ বিয়ারের বোতলটি রাখলেন , আর অ্যাভোকাডো টমেটো শসার মতো পৃথিবীর ধোঁয়াটে পুলিশের ভয়ে তাজা মাছ খেতে খেতে কখন টেলিফোনের তার ধরে ঝুলতে ঝুলতে লিউকোমিয়ায় মারা যাচ্ছেন অনন্ত জলের নিচে শুয়ে থাকা যীশুখ্রীষ্ট , যার কাছে আত্মসমর্পণ করে রাখা যায় শিশুর কান্না, 
আমার ৪৩ তম জন্মদিনের জন্য কবিতা একাই শেষ হয়ে যাওয়া একটা ঘরের কবরে 
বিনা সিগারেটে 
কিংবা মদে
.........
সুন্দর সব পা, স্কার্টগুলো পাছা পর্যন্ত টেনে তোলা 
মেরিলোর পাছা,অ্যানের পাছা, ভিকির পাছা সবগুলোই আগামী বারে গেলাম আর জর্জ বলল এখন কি করবে 
আর আমি বলেছিলাম রাশিয়া অথবা হলিউড পার্কে যাও 
আর আমি সময়মতো উপরে তাকালাম মেরিলুকে আসতে দেখতে লম্বা পাতলা নাক কোমল মুখ ঠোট পা স্তন সংগীত কথাবার্তা ভালবাসা হাসি এবং সে বলল যখন জানতে পারলাম তখন আমি ছেড়ে দিলাম। আর জারজ হাঁটু গেড়ে বসে কেঁড়ে উঠলো আর আমার স্কার্টের আঁচলে চুমু খেলো আর আমাকে টাকা দিলো এবং আমি বেরিয়ে গেল শিশুর মতো ফুঁপিয়ে উঠল
বিনা সিগারেট এ কিংবা মদে তার ৪৩ তম জন্মদিনের কবিতা উদযাপন হচ্ছে তরুণী বেয়ারা ফুল বিক্রেতারা দাঁতের ডাক্তারেরা কলের মিস্ত্রিরা ছুতোরেরা তাকে চুমু খেতে খেতে ডেক্সের উপরে রেখে যাচ্ছে সুন্দর আবছায়া পায়ের স্কার্ট গুলো, কোন ডার্টি ইমেজিং নয় অতি বিশুদ্ধতার আর্কিটেকচার আঁকতে আঁকতে তিনি পৃথিবীর সমগ্র আততায়ীদের বিষুবরেখা এঁকে দিচ্ছেন কফিনের ভেতর বসে সিগারেটের খাপের ভেতরে পুড়িয়ে দিচ্ছেন জীবনের আধপোড়া বিপ্লবের বিছানা সুগন্ধ গীতবাদ্য
হেনরি চার্লস বুকায়োস্কি আরো আরো নতুন করে আবিষ্কৃত হোক মানুষেরা তাকে কিউবিজম পরাবাস্তব ম্যাজিক রিয়ালিজম থেকে বের করে আরো আরো অদ্ভুতভাবে আবিষ্কার করুন কোন এক নির্জন বদ্বীপে বসে যিনি লিখে ফেলছেন এমন বীভৎস কথা-
একটা ভালো ছোট গাধার টুকরো আমার সব রাগ মিটিয়ে দিত /মনে রাখবেন যে বর্ণগত যুদ্ধ ২৩০০০ বছরের পুরনো

রেস ট্রাকের মাতাল ঘোড়া ও বুকোস্কির ১১৫ ডলারের নিরাময়শালা
নিমাই জানা 


মন্তব্য

অনুবাদ আত্মজীবনী আর্ট-গ্যালারী আলোকচিত্র ই-বুক ইচক দুয়েন্দে ইশতেহার উৎপলকুমার বসু ঋত্বিক-ঘটক কবিতা কবিতায় কুড়িগ্রাম কর্মকাণ্ড কার্ল মার্ক্স গল্প চার্লস বুকাওস্কি ছড়া জার্নাল জীবনী দশকথা দিনলিপি পাণ্ডুলিপি পুনঃপ্রকাশ পোয়েটিক ফিকশন প্রতিবাদ প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা প্রবন্ধ প্রিন্ট সংখ্যা বই বর্ষা সংখ্যা বসন্ত বিক্রয়বিভাগ বিবিধ বিবৃতি বিশেষ বুলেটিন বৈশাখ ভাষা-সিরিজ ভিডিও মাসুমুল আলম মুক্তগদ্য মে দিবস যুগপূর্তি রিভিউ লকডাউন শম্ভু রক্ষিত শাহেদ শাফায়েত শিশুতোষ সন্দীপ দত্ত সম্পাদকীয় সাক্ষাৎকার সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ সৈয়দ সাখাওয়াৎ স্মৃতিকথা হেমন্ত
নাম

অনুবাদ,62,আত্মজীবনী,27,আর্ট-গ্যালারী,2,আলোকচিত্র,1,ই-বুক,7,ইচক দুয়েন্দে,23,ইশতেহার,2,উৎপলকুমার বসু,26,ঋত্বিক-ঘটক,4,কবিতা,348,কবিতায় কুড়িগ্রাম,7,কর্মকাণ্ড,16,কার্ল মার্ক্স,1,গল্প,84,চার্লস বুকাওস্কি,40,ছড়া,1,জার্নাল,4,জীবনী,7,দশকথা,25,দিনলিপি,1,পাণ্ডুলিপি,11,পুনঃপ্রকাশ,22,পোয়েটিক ফিকশন,1,প্রতিবাদ,1,প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা,4,প্রবন্ধ,189,প্রিন্ট সংখ্যা,5,বই,4,বর্ষা সংখ্যা,1,বসন্ত,15,বিক্রয়বিভাগ,21,বিবিধ,3,বিবৃতি,1,বিশেষ,26,বুলেটিন,4,বৈশাখ,1,ভাষা-সিরিজ,5,ভিডিও,1,মাসুমুল আলম,35,মুক্তগদ্য,45,মে দিবস,1,যুগপূর্তি,6,রিভিউ,5,লকডাউন,2,শম্ভু রক্ষিত,2,শাহেদ শাফায়েত,25,শিশুতোষ,1,সন্দীপ দত্ত,14,সম্পাদকীয়,20,সাক্ষাৎকার,25,সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ,18,সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ,55,সৈয়দ সাখাওয়াৎ,33,স্মৃতিকথা,15,হেমন্ত,1,
ltr
item
বিন্দু | লিটল ম্যাগাজিন: রেস ট্রাকের মাতাল ঘোড়া ও বুকোস্কির ১১৫ ডলারের নিরাময়শালা • নিমাই জানা
রেস ট্রাকের মাতাল ঘোড়া ও বুকোস্কির ১১৫ ডলারের নিরাময়শালা • নিমাই জানা
চার্লস বুকাওস্কি প্রসঙ্গে নিমাই জানার মুক্তগদ্য ‌রেস ট্রাকের মাতাল ঘোড়া ও বুকোস্কির ১১৫ ডলারের নিরাময়শালা। বিন্দু লিটল ম্যাগাজিনের চার্লস বুকাওস্কি
https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj7iJcHVnKfc4-woMHvACh7ZPvr8TzoBU0U-1x5MJehwSyEy6AiM9YO9Ui2HApd5-F90J3_D-qqZzRBa9S3rOQz_Wu8M0RpB9Bq7NfSCpVODVtfsvifG0ba97W1tf_1VDW9OthnF8074zQ2hdpBUNjUmU4tl9h8za-0P3RA7FhxZF9RYDiAWrvZv-LiFNk/s16000/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%B8%20%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8C%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%20%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%20%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%20%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%97.png
https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj7iJcHVnKfc4-woMHvACh7ZPvr8TzoBU0U-1x5MJehwSyEy6AiM9YO9Ui2HApd5-F90J3_D-qqZzRBa9S3rOQz_Wu8M0RpB9Bq7NfSCpVODVtfsvifG0ba97W1tf_1VDW9OthnF8074zQ2hdpBUNjUmU4tl9h8za-0P3RA7FhxZF9RYDiAWrvZv-LiFNk/s72-c/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%B8%20%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8C%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%20%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%20%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%20%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%97.png
বিন্দু | লিটল ম্যাগাজিন
https://www.bindumag.com/2026/06/charles-bukowski-by-nimai-jana.html
https://www.bindumag.com/
https://www.bindumag.com/
https://www.bindumag.com/2026/06/charles-bukowski-by-nimai-jana.html
true
121332834233322352
UTF-8
Loaded All Posts Not found any posts আরো Readmore উত্তর Cancel reply মুছুন By নী PAGES POSTS আরো এই লেখাগুলিও পড়ুন... বিষয় ARCHIVE SEARCH সব লেখা কোন রচনায় খুঁজে পাওয়া গেল না নীড় Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS PREMIUM CONTENT IS LOCKED STEP 1: Share to a social network STEP 2: Click the link on your social network Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy