তুমি
তুমি একটি দস্যু।
মেয়েটি বলেছিল, তোমার
শাদা পেটে মেদ এবং
ঐ লোমশ পা।
কখনওই তুমি নাকি নখ কাটো না।
এবং তোমার মোটা হাতে
যেন বিড়ালের থাবা।
তোমার উজ্জ্বল লাল নাক
ও এযাবৎ দেখা
বৃহৎ অন্ডকোষ-
তিমির পিঠের ছিদ্র থেকে
যেমন নিঃসৃত জল, তেমন
তোমার শুক্রানু দল।
দস্যু, দস্যু, দস্যু-
ও মেয়েটির চুম্বন।
জলখাবারে কী খেতে,
চাইছে তোমার মন?
আমি দেখেছি অনেক নিষ্কর্মার চকচকে চোখে, সস্তার মদে চুমুক দিচ্ছে ব্রিজের নীচে বসে-
তুমি আমার সাথে
পালঙ্কে বসো
আজকের রাতে,
হে, নতুন রমনী।
তুমি কী দেখেছো
পশুভুকেদের
সেই তথ্যছবি?
তারা মৃত্যুকে দেখায়।
এবং আমি এখন ভাবছি
আমাদের কোন পশু আজ
কখন একে ওপরকে খায়,
প্রথমতঃ
শরীরে ও শেষে
আধ্যাত্মিকতায়।
আমরা প্রাণীদের করি গ্রাস-
এবং তারপর আমাদেরই
একজন
অন্যের কাড়ে শ্বাস,
আমার প্রেয়সী।
এর মাঝেও আমি চাইবো
প্রথমতঃ
তুমি যাও- দেখো,
প্রথম উপায়টি।
যদি ভূতপূর্ব অভিজ্ঞতার
থাকে তালিকা নির্ধারিত
তবে নিঃসন্দেহে প্রথম যেতাম
শেষের উপায় মতো।
আমাকে
নারীরা জানে না কীভাবে ভালোবাসতে হয়,
মেয়েটিই আমাকে বলেছিল-
তুমি জানো কীভাবে বাসবে ভালো
কিন্তু নারীদের স্বভাবই নিংড়ানো
আমি এসবই জানি
কারন, আমি একজন নারী।
হা হা হা করে হেসেছিলাম আমি।
তাই সুজানের সাথে বিচ্ছেদ নিয়ে
ভেবো না তুমি ওতো-
জেনো অন্য কাউকে নিংড়াবে সে
ঠিক তোমারই মতো।
আমরা অনেকক্ষণ কথা বলে
বিদায় জানিয়ে, বন্ধ করে-
যাই শৌচাগারে চলে।
এবং সুন্দর বিষ্ঠা দেখেই এই
ভাবনা মূলতঃ,
এই তো আমি এখনও জীবিত।
এবং সক্ষমভাবে শরীরি বর্জ্য
ঠিকঠাক রেচিত।
এবং কবিতা।
যতদিন অবধি এসব ঘটনা ঘটে
সামলে নেওয়ার ক্ষমতাও থাকে বটে-
বিশ্বাসঘাতকতা
একাকীত্ব
নখের পাশের আলগা চামড়া
তালির চোট
এবং আর্থিক বিভাগের
অর্থনৈতিক রিপোর্ট।
এসব ভাবনা নিয়েই আমি
উঠে দাঁড়াই-
শৌচকর্ম শেষে
চিন্তনের দেশে
আর এটা তো সত্যিই,
আমি জানি-
কীভাবে ভালোবাসাতেই মরি!
আমি প্যান্ট টেনে তুলে-
অন্য ঘরে ঢুকে পড়ি।
তিনটি কবিতা
চার্লস বুকাওস্কি
অনুবাদ: সৌরভ মজুমদার
চার্লস বুকাওস্কি
অনুবাদ: সৌরভ মজুমদার




মন্তব্য