.header-button .inner > span { font-size: 18px !important; } .header-button .inner i.fa { font-size: 40px !important; } .comment-form-message { background-color: #f4f4f4 !important; font-size: 14px !important; }

$type=ticker$count=12$cols=4$cate=0$sn=0$show=post

মণিপদ্ম দত্তের যাপন-নামা (পর্ব ৪)

মণিপদ্ম দত্তের যাপন-নামা (পর্ব ৩)

ডলারিয়া

কবির গানে আছে, 
বিশ্ব জোড়া ফাঁদ পেতেছ, কেমনে দিই ফাঁকি-
আধেক ধরা পড়েছি গো, আধেক আছে বাকি।
গানটির অর্থ যাই হোক না কেন, আমার এক প্রায় মর্মন্তুদ রাতের সঙ্গে এর যোগ গভীর। আজ হাসি, তবে জীবনের ঐ একটি রাত হাসি তো দূরের কথা, ঘুমোতেই পারিনি। তাও সুদূর বিদেশ বিভূঁইয়ে। এবং যে রাতে আমার ঘুমের বড়োই দরকার ছিল!
স্থান মেক্সিকো সিটি। সন ২০০৭।  প্রায় চল্লিশ ঘণ্টা জার্নি করে হোটেলে চেক ইন করলাম। রাত বারটা পেরিয়ে।  মেক্সিকোর সঙ্গে আমাদের সময়ের পার্থক্য সাড়ে এগার ঘণ্টার। 
যাত্রাটা বেশ ঝকমারিরই ছিল। দিল্লি  থেকে প্যারিস। সেখানে আট ঘণ্টার স্টপ-ওভার। তারপর আরও প্রায় ১২ ঘণ্টার উড়ান। যাই হোক মেক্সিকো সিটি এয়ারপোর্টে পৌঁছে ভাবলাম, যাক সাঙ্গ হোল। কিন্তু না। ইমিগ্রেশনে হাজারটা প্রশ্ন। যদিও সরকারি সম্মেলনেই অতিথি হয়ে এসেছি। আমন্ত্রণের চিঠিও সঙ্গে।  কিন্তু কে শোনে কার কথা। ইমিগ্রশন অফিসার একটি ঘরে চালান করে দিয়ে বললেন অপেক্ষা করতে হবে। খুব রূঢ় ব্যবহার না হলেও, খুব যে মার্জিত তা মনে হোল না। আর অতো দীর্ঘ যাত্রার পর ভাল মন্দের বিচারটা একটু গুলিয়েই যায়। অগত্যা। তবে তাঁর অর্ধতনেরা যে একদমই সদাশয় নয় তা অচিরেই বোঝা গেলো। ক্লান্তি ছাড়াও আমার বেশি ভাবনা ছিল আমার সুটকেস দুটো নিয়ে। আপ্যায়ন দেখে দুখিনী সুটকেসগুলো সম্পর্কে খুব নিশ্চিন্ত থাকতে পারছিলাম না। আর এয়ার ফ্রান্সের লাগেজ ম্যানেজমেন্টের সুখ্যাতি তখনও বিশেষ সুবিধের ছিল না। একটু উঁকিঝুকি মারার চেষ্টায় ছিলাম। এক জুনিওর অফিসার বেশ একটা রাম ধাক্কা দিয়েই সবক শেখালেন। সুতরাং আবার অন্তরীন। মেক্সিকো যে দিয়েগো রিভেরা ও ফ্রিদা কাহ্লোর দেশ শুধু নয়, ড্রাগ মাফিয়ারও দেশ মনে পড়ে গেলো। ঘরের ভিতরে দেখলাম ইতস্তত কিছু পুরনো চেয়ার ছড়ানো ছেটান। অনেকেই বসে বা দাঁড়িয়ে ছাড়া পাবার অপেক্ষায়। দেখা হয়ে গেলো কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের সঙ্গে। তিনিও একই সম্মেলনে অতিথি। ছোটখাটো মানুষ। উনি নাকি প্রায় চার ঘণ্টা ধরে অপেক্ষায়। বিরক্ত। বিধ্বস্ত। বললেন, আর জীবনেও এমুখো হবেন না! সে না হয় হলেন। কিন্তু আমার তো আত্মারাম খাঁচাছাড়া। বলে কী! আমি তো সাড়ে চার ঘণ্টা টানতে হলে একদম অক্কা। কানাডা তো তুলনায় কাছের দেশ। আমি তো প্রায় সারা ভূগোলের পাঠ নিয়ে হেথায় পৌঁছেছি! ভাগ্যের হাতে আত্মসমর্পণ করে বসে পড়লাম। তবে আমার ভাগ্য সুপ্রসন্নই বলতে হবে। ঘণ্টা দেড়েক বাদেই ছেড়ে দিলো। কেন আটকে রেখেছিলো এ প্রশ্নের জবাব অবশ্য পাই নি। সুটকেস দুটোও অক্ষতই পেয়েছিলাম। হয়তো দুখিনী বলেই। কেউ ফিরেও তাকায় নি। তবে সম্মেলনে ঐ কানাডিয়ান অধ্যাপকের দেখা পাইনি। 
যাহোক হোটেলের কথায় ফিরে আসি। 
শহরের মধ্যস্থলের এক তারকা হোটেল। ব্যবস্থাপকেরাই  বুক করেছিলেন। ওটাই আবার কনফারেন্স ভেন্যু। পাঁচ দিন ওখানেই কাটবে। বিদেশে কনফারেন্সগুলো এরকমই হয়ে থাকে।
চেক-ইন করতে প্রায় সাড়ে বারোটা। তখন তো ডাইনিং বন্ধ হয়ে গেছে। ২৪/৭ কফি শপ থেকেই কিছু আনিয়ে খেতে হবে। রুম সার্ভিস। একটু দাম পড়বে। কী আর করা যাবে! প্রচন্ড খিদে, ক্লান্তি। আজ রাতে একটু ঘুমোতেই হবে। পরদিন সকালেই আমার সেশন। ভাবলাম খাবারের অর্ডারটা দিয়েই চানে ঢুকি। টেবিলের ওপরে রুম সারভিসের নম্বর আর মেনু রাখা ছিল। খাবারের পাশে দামটাও। অতো রাতে হাল্কা স্ন্যাক্স-ই খাব। একটা হ্যাম বার্গার। খুঁজেপেতে পেলামও। তবে পাশের দাম দেখে তো চোখ উলটে পড়ার দশা। হার্ট এ্যাটাকও হতে পারত। একটা বার্গার এর দাম কিনা ৯০ ডলার! হা ঈশ্বর, আমার পকেটে তো গোনাগুন্তি টাকা! এর থেকে ৯০ ডলার গলে গেলে এরপর ফেরার হাতখরচ তো ভিক্ষে করে যোগাড় করতে হবে! এমন বিপদে এর আগে পড়িনি। চানটান মাথায় উঠলো। হিসেব করতে বসলাম। আশা ছিল পয়সা বাঁচিয়ে কিছু অল্প ঘোরাঘুরি বা কেনাকাটা করবো, অথেন্টিক মেহিকান খাবার খাব। মেহিকান খাবারের কতো নাম শুনেছি! মায়া আজটেক সভ্যতার নয়া আবিষ্কৃত পিরামিডগুলো দেখতে যাব; যা মেক্সিকো সিটি থেকে বেশ কাছেই; পঞ্চাশ ষাট কিলোমিটারের মধ্যেই! এসব ভাবতে ভাবতেই দেখি বেশ খানিকটা সময় পেরিয়ে গেছে। আর নয়। অর্ডার টা দিয়েই ফেলি । আজ তো বাঁচি! তারপর দেখা যাবে। 
খাবার এসে গেলো চান সারার পরপরই। স্টুয়ারট ছেলেটির হাতে ১০০ ডলারের একটা করকড়ে একটা নোট চোখের জল লুকিয়ে দিয়ে দিলাম! সে বলে গেলো সকালে চেঞ্জটা দিয়ে যাবে। আর চেঞ্জ! পাঁচতারা হোটেল। বাকি দশটা ডলারের  অন্তত পাঁচটাই তো চলে যাবে টিপসে। কী আর করা। চটপট খেয়েই নিলাম। কিন্তু ওইটুকু খাবারে ঐ আগুন খিদে মেটে নাকি! নিজেকে বেজায় ধমকে কয়েক গেলাস জল খেয়ে শুয়ে পড়লাম। কিন্তু ঘুম আসে কৈ! পরন্তু, এতো টা সময়ের ব্যবধান! আবছা আবছা ঘুম হোল!
সকালে তৈরি হয়ে ব্রেকফাস্ট টেবিলে যাব, দরজায় ঘন্টি বাজল! আগের রাতের ছেলেটি। চেঞ্জ দিতে এসেছে! এর মধ্যে মন ঠিক করে ফেলেছি। না ওইসব টিপস ফিপস দেওয়ার দরকারই নেই। যা ভাবে ভাবুক! আমি ভাই ভারতীয় মাষ্টারমশাই। এমনিতেই চিরগরীব! ফাইভ স্টারে থাকার মুরদও তো নেই! নেহাত পরস্মৈপদী! গম্ভীর ভাবে ভাঁজ করা বস্তুটি টেবলে রেখে দিতে বললাম। ছেলেটি বেরিয়ে যাবার পরেই হুমড়ি খেয়ে পড়লাম মহার্ঘ দশ ডলার উদ্ধারের কাজে! কিন্তু একি! যা দিয়ে গেছে তা তো ডলার নয়! পেসো। মেহিকান পেসো। এবং এক গাদা! একটু ধাতস্থ হয়ে বুঝতে পারলাম খানিকটা। ঐ মেনুতে যে দাম লেখা ছিল, তাহলে তা পেসোয় লেখা ছিল তবে। হিসেব করে আমার ভাবনার সমর্থন পেলাম। সেই সময় এক মার্কিন ডলার ছিল ১১ মেহিকান পেসোর মতো। পয়সা সে অনুযায়ীই নিয়েছে। হিসাব বরাবর। কিন্তু মেনুতে তো দাম ডলারেই লেখা ছিল! মেনু বের করে আবার দেখলাম! স্বস্তি পেলেও রহস্য পুরোটা গেলো না। সময় নেই ভাবার। সেশনের সময় হয়ে এলো। তরিঘড়ি বেরিয়ে পড়লাম। 
লাঞ্চে ফ্রি হয়ে  রহস্যোদ্ধারে নামলাম। আমেরিকান ডলার আর মেহিকান পেসোর চিহ্ন একই প্রায়। $ । তবে মেহিকান পেসোর সঠিক চিহ্ন MX $   বা M$ । আমেরিকান ডলারে শুধু $ লিখলেই চলে। হোটেলের মেনুতে মনে হোল গৌরবার্থে মার্কিন ডলার চিহ্নটাই দিয়ে রেখেছে! বোঝো! সেই পরিচিত সাইকোলজি! আমেরিকাকে বাইরে বর্জন ও ভিতরে গ্রহণ। অ্যাংলোফিলিয়ার আর এক রূপ! আর এক তৃতীয় বিশ্বের আনপড় অধ্যাপকের টাকাতঙ্কে রাত্রি জাগরণ! অথচ ইতিহাস বলে, মেহিকান পেসোতেই নাকি বহু আগে থেকেই $ চিহ্ন চলে আসছে। ওদের দেশের বিশাল ভূখন্ড ছিনিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মুদ্রা চিহ্নটিও হাতিয়ে নিয়েছে! মাঝ থেকে আমার ঘুমটুকুও।
বীর, থুড়ি ডাকাতভোগ্যা বসুন্ধরা! আজও! সেই ট্রাডিশন সমানে চলিতেছে! 
 

ক্রেডিট কার্ডে ঘুষ

২০০২ সালের ঘটনা। দিল্লি অঞ্চলে বছর দুয়েক আগে এসেছি। দিল্লির তৎকালীন গণপরিবহন বিশেষ সুবিধের ছিলনা। কলকাতা কেন আমার আগের কর্মস্থান আগের শহর আহমেদাবাদের তুলনায়। অবশ্য এখনও যে বিশেষ সুবিধের হয়েছে, এতো উন্নয়নের ঢক্কানিনাদের পরেও, তা’ বলা যাবে না। চতুর্দিকে উন্নয়ন যজ্ঞ চলেছে। উন্নয়নের প্রাথমিক শর্তই হোল, তোড়ফোড়। ভাঙো, গড়ো, আবার ভাঙো। উন্নয়নের নেশা ধরে গেলে আর থামায় কে? থামলে তো চলবে না। যতো উন্নয়ন, ততো তোড়ফোড়, ততো ফয়দা। আর আমরা এতদিনে জেনে গেছি, পৃথিবীতে সুযোগের চেয়ে সুযোগসন্ধানীর সংখ্যা অনেক বেশি। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। আর রাজধানী শহরে তা’ সবচেয়ে বেশি হওয়াটা স্বাভাবিক। এখানে রাষ্ট্রযন্ত্রের  এ বহমান প্রক্রিয়াকে এক ডক্ট্রিন হিসেবেই দেখা হয়, The Doctrine of Torfor. এবং এটি by nature a continuum. শেষ নেই। এক নতুন দিল্লিবাসি হয়ে চলাচলের তারিকা শিখছি তখন। বলা হয়,  In Delhi, every dog has a car।  কথাটা বিশেষ ভুলও নয় কারণ এই অঞ্চলে মুম্বাই, চেন্নাই আর কলকাতা মিলিয়ে যতোগুলো প্রাইভেট চারচাকা  আছে তার যোগফল দিল্লির সমান। এ মুহূর্তে সেই সংখ্যাটা প্রায় সাড়ে তিন কোটি। আবার কথাটা পুরোটা ঠিকও নয়।  সাধারণ মানুষ যাঁরা আ ডগ'স লাইফ যাপন করেন, তাঁরা এখনো অটো আর বাসের উপরেই অসহায় ভাবে নির্ভরশীল। ফলতঃ কষ্টেসৃষ্টে একটা গাড়ি কিনে ফেলতেই হলো। নয়তো জীবন স্থাণুবৎ হয়ে যাচ্ছিল। আর কারণও অবশ্য‌ ছিল। যে ইন্সটিটিউট এ পড়াতাম, সেখানকার রিসেপশনিষ্টেরও একটি গাড়ি ছিল। ফলে কলেজে পায় হেঁটে ঢুকলে বেরুলে, মায় সিক্যুরিটি গার্ডদের কাছেও বিশেষ পাত্তা পাওয়া যেত না। হয়তো ছাত্রছাত্রীদের কাছেও। ফলে এক কথায় প্রেস্টিজ কা সওয়াল! অতঃপর....

যাই হোক, তখন ড্রাইভার রাখার সাধ্য ছিলনা বলে নিজেই চালাতাম। সে সময়ে বেল্ট বেঁধে গাড়ি চালানোটা আইন হলেও খুব চালু হয়ে ওঠেনি। অন্ততঃ আমি তো দিব্যি বেল্ট ছাড়াই ঘোরাঘুরি করতাম। বাজারঘাট করার জন্যই মূলতঃ বেরোনো। তো কাঁহাতক বেল্ট বাঁধাবাঁধি করা যায়। এভাবেই অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিলাম। আইন টুকুকে ভাবতাম ওটা পালনের জন্য নয়। পরে অবশ্য বেশ মূল্য দিয়ে বুঝেছি বেল্ট বাঁধাটা নিজের জন্যই কী পরিমাণ জরুরি। ইউরোপ আমেরিকায় তো আবার সব প্যাসেঞ্জারেরই বেল্ট বাঁধাটা বাধ্যতামূলক। 
তবে গল্পটা বেল্ট বাঁধা নিয়ে হলেও আসলে তা বাহ্য।
আমার ভাই তার পরিবার নিয়ে এলো বেড়াতে। একদিন সকলে মিলে বেরোলাম। গন্তব্য ফরিদাবাদ। আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু থাকতেন। দুপুরে খাওয়ার নেমন্তন্ন।
আবহাওয়া টা বেশ ভালই ছিল। ফুরফুরে হাওয়ায় গল্প ক’রতে ক’রতে ভালোই চলছিলাম। কালিন্দী কুঞ্জ হয়ে যশোলা বদরপুর হয়ে যাত্রা। বাদ সাধলো কালিন্দী কুঞ্জের দণ্ডায়মান ট্রাফিক পুলিশ। বেল্ট বাঁধা নেই। গাড়ি রুখে দিল। নামলাম। নিয়ে গেল পথিপার্শ্বের ছোট পুলিশ গুমটিতে। অতো আলোকজ্জ্বল দিনে অদ্ভুত ভাবে গুমটিটার পেটে এতো অন্ধকার কেন জানিনা। চোখ সয়ে এলে দেখলাম একজন বেশ বলবান পুলিশ অফিসার টেবিলে বসে। ট্রাফিক রুল ভেঙ্গেছি। ফাইন,  নয় চালান। দুটোই আমার না-পসন্দ। সাচ্চা নাগরিকের মতো কেস সেটল করতে অনুরোধ করলাম। ভদ্রলোক সহৃয় হ’লেন। এক কথায় রাজি। ২০০ টাকা। দরাদরি শুরু হলো। দেড়শোর কমে এক পয়সাও নয়। সত্যি বলতে আমার কাছে অতো টাকাও ছিলো  না। ঐ সময়ে ওটা বেশ বেশি টাকাই। উপরন্তু, বন্ধু পরিবারের জন্যে মিষ্টিও কেনা বাকি। ক্যাশ বেশি রাখতামও না। অসহায় ভাবে বললাম পেমেন্ট টা ক্রেডিট কার্ডে নিতে। কার্ডটা বার করে এগিয়ে দিলাম। অফিসার গভীর সন্দেহে জিজ্ঞেস করলেন, এ ক্যা হ্যায়? আমার প্রণব মুখোপাধ্যায়োচিত হিন্দিতে জবাব, ইয়ে ক্রেডিট কার্ড হ্যায়। ইসসে পেমেন্ট লে সকতা। অফিসার দ্বিধাগ্ৰস্ত বিরস বদনে বললেন, ইয়ে সিস্টেম চালু নেহি হুয়া। শেষ পর্যন্ত কুড়ি টাকায় রফা হয়েছিল।
গুমটি থেকে বেরিয়ে গাড়িতে উঠলাম। ততক্ষণে আমার শিশু ভ্রাতুস্পত্রী কান্না জুড়ে দিয়েছে; জেঠুকে পুলিশে ধরে নিয়ে গেছে। এবারে অবশ্য স্টার্ট করার আগে বেল্ট বেঁধে নিলাম। 
ক্রেডিট কার্ডে ঘুস নেওয়াটা সম্ভবতঃ আজও চালু হয় নি। তবে ঘটনাটা মনে রয়ে গেছে। খানিকটা অদ্ভুত আত্মশ্লাঘাও বটেও। ক্রেডিট কার্ডে রিসোয়াত দেবার প্রচেষ্টায় আমি হয়তো এক পথিকৃৎ। এটা ভেবেই মজা।

মন্তব্য

অনুবাদ আত্মজীবনী আর্ট-গ্যালারী আলোকচিত্র ই-বুক ইচক দুয়েন্দে ইশতেহার উৎপলকুমার বসু উপন্যাস ঋত্বিক-ঘটক কবিতা কবিতায় কুড়িগ্রাম কর্মকাণ্ড কার্ল মার্ক্স গল্প গিন্সবার্গ চার্লস বুকাওস্কি ছড়া জার্নাল জীবনী দশকথা দিনলিপি পাণ্ডুলিপি পুনঃপ্রকাশ পোয়েটিক ফিকশন প্রতিবাদ প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা প্রবন্ধ প্রিন্ট সংখ্যা বই বর্ষা সংখ্যা বসন্ত বিক্রয়বিভাগ বিবিধ বিবৃতি বিশেষ বুলেটিন বৈশাখ ভাষা-সিরিজ ভিডিও মাসুমুল আলম মুক্তগদ্য মে দিবস যুগপূর্তি রিভিউ লকডাউন শম্ভু রক্ষিত শাহেদ শাফায়েত শিশুতোষ সন্দীপ দত্ত সম্পাদকীয় সাক্ষাৎকার সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ সৈয়দ সাখাওয়াৎ স্মৃতিকথা হেমন্ত
নাম

অনুবাদ,66,আত্মজীবনী,27,আর্ট-গ্যালারী,2,আলোকচিত্র,1,ই-বুক,7,ইচক দুয়েন্দে,23,ইশতেহার,2,উৎপলকুমার বসু,26,উপন্যাস,10,ঋত্বিক-ঘটক,5,কবিতা,349,কবিতায় কুড়িগ্রাম,7,কর্মকাণ্ড,18,কার্ল মার্ক্স,1,গল্প,86,গিন্সবার্গ,2,চার্লস বুকাওস্কি,40,ছড়া,1,জার্নাল,8,জীবনী,7,দশকথা,25,দিনলিপি,1,পাণ্ডুলিপি,11,পুনঃপ্রকাশ,24,পোয়েটিক ফিকশন,1,প্রতিবাদ,1,প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা,4,প্রবন্ধ,194,প্রিন্ট সংখ্যা,5,বই,4,বর্ষা সংখ্যা,1,বসন্ত,15,বিক্রয়বিভাগ,21,বিবিধ,3,বিবৃতি,1,বিশেষ,26,বুলেটিন,4,বৈশাখ,1,ভাষা-সিরিজ,5,ভিডিও,1,মাসুমুল আলম,35,মুক্তগদ্য,45,মে দিবস,1,যুগপূর্তি,6,রিভিউ,5,লকডাউন,2,শম্ভু রক্ষিত,2,শাহেদ শাফায়েত,25,শিশুতোষ,1,সন্দীপ দত্ত,14,সম্পাদকীয়,20,সাক্ষাৎকার,26,সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ,18,সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ,55,সৈয়দ সাখাওয়াৎ,33,স্মৃতিকথা,15,হেমন্ত,1,
ltr
item
বিন্দু | লিটল ম্যাগাজিন: মণিপদ্ম দত্তের যাপন-নামা (পর্ব ৪)
মণিপদ্ম দত্তের যাপন-নামা (পর্ব ৪)
মণিপদ্ম দত্তের ধারাবাহিক জার্নাল যাপন-নামা (পর্ব ৪)
https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgopUPBflG0uXGuivShAUhx6OynH1n_-mamZ1NzgfVmCpE622Cvo6dqCDiM6Kghzf8-RSh8AMA0uHTY-HwGAFCFiGvC8Ls5D1HzqkBh84nTQQ7-bOrM_H9z7yd17BE4KzLuVWderzdK5P5sXhJgovXTClGmGPMGIkg7DnyjflObw2WQxJxs_d2N8g9I-ZI/s1600/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%0A%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%20%E0%A6%A6%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4.png
https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEgopUPBflG0uXGuivShAUhx6OynH1n_-mamZ1NzgfVmCpE622Cvo6dqCDiM6Kghzf8-RSh8AMA0uHTY-HwGAFCFiGvC8Ls5D1HzqkBh84nTQQ7-bOrM_H9z7yd17BE4KzLuVWderzdK5P5sXhJgovXTClGmGPMGIkg7DnyjflObw2WQxJxs_d2N8g9I-ZI/s72-c/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%0A%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%20%E0%A6%A6%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4.png
বিন্দু | লিটল ম্যাগাজিন
https://www.bindumag.com/2026/08/japon-nama-4-manipadma-datta.html
https://www.bindumag.com/
https://www.bindumag.com/
https://www.bindumag.com/2026/08/japon-nama-4-manipadma-datta.html
true
121332834233322352
UTF-8
Loaded All Posts Not found any posts আরো Readmore উত্তর Cancel reply মুছুন By নী PAGES POSTS আরো এই লেখাগুলিও পড়ুন... বিষয় ARCHIVE SEARCH সব লেখা কোন রচনায় খুঁজে পাওয়া গেল না নীড় Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS PREMIUM CONTENT IS LOCKED STEP 1: Share to a social network STEP 2: Click the link on your social network Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy