.header-button .inner > span { font-size: 18px !important; } .header-button .inner i.fa { font-size: 40px !important; } .comment-form-message { background-color: #f4f4f4 !important; font-size: 14px !important; }

$type=ticker$count=12$cols=4$cate=0$sn=0$show=post

আর্নেস্ট হেমিংওয়ের ঐতিহাসিক সাক্ষাৎকার

আর্নেস্ট হেমিংওয়ের ঐতিহাসিক সাক্ষাৎকার
নোট: বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রথাবিমুখী ও প্রভাবশালী মার্কিন কথাসাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে। তাঁর সংক্ষিপ্ত, নিরেট ও অলংকারহীন গদ্যশৈলী বিশ্বসাহিত্যের ধারাকেই বদলে দিয়েছিল। ১৯৫৮ সালে ‘দ্য প্যারিস রিভিউ’-তে প্রকাশিত এই ঐতিহাসিক সাক্ষাৎকারটিতে লেখক তাঁর দৈনন্দিন লেখার কঠোর অনুশাসন, কাজের ধরন এবং সাহিত্যভাবনার আড়াল উন্মোচন করেছেন। হেমিংওয়ের স্বকীয় জীবনযাপন ও শব্দচয়নের নিভৃত সাধনা বুঝতে এই কথোপকথনটি বিশ্বসাহিত্যের এক অনন্য দলিল। এআই দিয়ে অনুবাদ করে সম্পাদনা করা হয়েছে। –সম্পাদক

সাহিত্য পত্রিকা বিন্দু ডিজাইন নকশা

 আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: লেখার কারখানা ও নিজস্ব ভুবন 
সাক্ষাৎকার গ্রহণে: জর্জ প্লিম্পটন
দ্য প্যারিস রিভিউ, সংখ্যা ১৮, বসন্ত ১৯৫৮
হেমিংওয়ে: রেসের মাঠে যান নাকি?
ইন্টারভিউয়ার: হ্যাঁ, মাঝেসাঝে যাওয়া হয়।
হেমিংওয়ে: তা, ‘রেসিং ফর্ম’ পড়েন তো? আসল কথাসাহিত্যিক রূপটা তো ওখানেই পাবেন।
–মাদ্রিদের এক ক্যাফেতে কথোপকথন, মে ১৯৫৪
আর্নেস্ট হেমিংওয়ে লেখেন হাভানার শহরতলি সান ফ্রান্সিস্কো দে পল্লায় তাঁর নিজের বাড়ির শোবার ঘরে বসে। বাড়ির দক্ষিণ-পশ্চিম কোণের চৌকো টাওয়ারে তাঁর জন্য আলাদা একটা কাজের ঘর তৈরি রাখা আছে ঠিকই, কিন্তু তিনি শোবার ঘরটাই বেশি পছন্দ করেন। টাওয়ারের ঘরে কেবল তখনই ওঠেন, যখন চরিত্রের দল তাঁকে তাড়িয়ে নিয়ে যায়।

শোবার ঘরটি একতলায়, মূল ঘরটার সঙ্গেই লাগোয়া। দরজার মাঝখানটা খানিক ফাঁক করে আটকে রাখা হয়েছে ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনস’ নামের ভারী এক পশরা বই দিয়ে। ঘরটি বেশ বড়সড়, রোদ-ঝলমলে; পূর্ব আর দক্ষিণের জানালা গলিয়ে দিনের আলো এসে পড়ে সাদা দেয়াল আর হলুদটে টালির মেঝেতে।

ঘরের মাঝখানে দুটো বুকশেলফ বুক-সমান উঁচু হয়ে দাঁড়িয়ে রুমটাকে দুটো অ্যালকোভ বা কোণে ভাগ করে ফেলেছে। এক কোণে রাজত্ব করছে একটা নিচু ডাবল-বেড; বিছানার পায়ে জুতসই মাপের চটি আর লোফারগুলো সারবেঁধে রাখা, আর মাথার কাছে দুটো নাইটস্ট্যান্ডে থরে থরে জমে আছে বইয়ের পাহাড়। অন্য কোণে একটা বিশাল চ্যাপ্টা ডেস্ক, পাশে দুটো চেয়ার—টেবিলের ওপর কাগজপত্র আর স্মৃতিচিহ্নের এক নিখুঁত বিশৃঙ্খলা। ঘরের একবারে প্রান্তে একটা আলমারি, যার ওপর মেলে দেওয়া এক চিতার ছাল। বাকি দেয়ালগুলো সাদা রঙের বইয়ের তাকে ছাওয়া; বই উপচে পড়ে মেঝেতে গড়াগড়ি খাচ্ছে, পুরনো খবরের কাগজ, ষাঁড়ের লড়াইয়ের পত্রিকা আর রবার ব্যান্ডে বাঁধা চিঠির স্তূপের সঙ্গে মিশে একাকার।

পূর্বের জানালার পাশের দেয়ালঘেঁষা বইয়ের তাকের ওপর বিছানা থেকে হাত তিনেক দূরে হেমিংওয়ের কাজের টেবিল। একদিকে বইয়ের চাপ, অন্যদিকে খবরের কাগজে মোড়ানো পাণ্ডুলিপি ও প্যামফ্লেটের পাহাড়— এই দুইয়ের মাঝে মাত্র এক বর্গফুটের একটা জায়গা। তাকের ওপর একটা টাইপরাইটার রাখার মতোই মোটে জায়গা মেলে; তার ওপর একখানা কাঠের লেখার বোর্ড, চার-পাঁচটা পেন্সিল, আর পূর্ব দিকের হাওয়ায় কাগজ যেন না ওড়ে সেজন্য চাপা দেওয়ার এক খণ্ড তামার আকরিক।

শুরুর দিনগুলো থেকেই তাঁর এই দাঁড়িয়ে লেখার অভ্যাস। একটা ক্ষয়ে যাওয়া হরিণের চামড়ার ওপর বিশালাকার লোফার পায়ে দাঁড়ান তিনি; টাইপরাইটার আর লেখার বোর্ডটা থাকে ঠিক বুক-বরাবর উঁচুতে।

নতুন কাজ শুরুর সময় তিনি সবসময় পেন্সিল দিয়েই কাজ ধরেন; পেঁয়াজ-খোসা টাইপের পাতলা কাগজে লেখেন বোর্ডটা কাজে লাগিয়ে। টাইপরাইটারের বাঁ পাশে ক্লিপবোর্ডে ফাঁকা কাগজের রিম আটকে রাখেন, একটা মেটাল ক্লিপের নিচ থেকে একটা একটা করে কাগজ টেনে বের করেন; যে ক্লিপে লেখা রয়েছে: ‘এগুলোর বিল মেটানো জরুরি’। কাগজটা আড়াআড়ি রাখেন বোর্ডে, বাঁ হাতের কনুইয়ে ভর দিয়ে কাগজটা চেপে ধরেন, আর পাতা ভরিয়ে তোলেন তাঁর হস্তাক্ষরে। বছরের পর বছর ধরে যা আরও বড়, আরও বালকসুলভ হয়ে উঠেছে; যতিচিহ্নের বালাই নেই, ক্যাপিটাল লেটারের বালাই কম, আর দাড়ি চিহ্নের জায়গায় প্রায়শই আঁকা থাকে একটা ‘x’। লেখা শেষ হলে পাতাটা উল্টো করে ডানদিকের অন্য একটা ক্লিপবোর্ডে আটকে রাখেন।

টাইপরাইটারে হাত দেন কেবল তখনই, যখন লেখা খুব দ্রুত ও সাবলীল এগোয়, কিংবা সংলাপের মতো সহজ কোনো কাজ থাকে।

নিজের প্রতিদিনের কাজের হিসাব রাখেন একটা মস্ত কার্ডবোর্ডের চার্টে—প্যাকিং বাক্সের পাশ কেটে যা তৈরি করা, ঝোলানো রয়েছে একটা হরিণের মাথার নিচে। ‘যাতে নিজেকে ফাঁকি না দেওয়া যায়।’ চার্টে প্রতিদিনের শব্দসংখ্যার হিসাবটা ওঠানামা করে— ৪৫০, ৫৭৫, ৪৬২, ১২৫০ থেকে ৫১২। সংখ্যাগুলো বড় হয় সেই দিনগুলোতেই, যে দিনগুলোতে বাড়তি খেটে নেন তিনি—যাতে পরের দিন নিশ্চিন্ত মনে মেক্সিকো উপসাগরের স্রোতে মাছ ধরতে নামা যায়, কোনো অপরাধবোধ না নিয়ে।

অভ্যাসের দাস হেমিংওয়ে কিন্তু অন্য কোণের নিখুঁত ডেস্কটা লেখার জন্য ব্যবহার করেন না। যদিও ওটাতে বিস্তর জায়গা, তবু সেখানে জমে আছে নানান স্মৃতিচিহ্ন: চিঠির পাহাড়, ব্রডওয়ের নাইটক্লাবের সেই তুলো ভরা খেলনা সিংহ, হাতির দাঁতে ভরা পাটের থলে, কার্তুজ, শু-হর্ন; আর রয়েছে কাঠ খোদাই করা সিংহ, গণ্ডার, জেব্রা আর বুনো শুয়োরের সারিবদ্ধ মূর্তি। আর অবশ্যই বই। এই ঘরের বইয়ের কথা ভোলা কঠিন—ডেস্কে, পাশের টেবিলে, তাকের আনাচে-কানাচে উপচে পড়া উপন্যাস, ইতিহাস, কবিতা, নাটক, প্রবন্ধ। একনজরে শিরোনামগুলো দেখলেই তাঁদের বৈচিত্র্য টের পাওয়া যায়। হেমিংওয়ের হাঁটুর সোজা সামনের তাকে রাখা ভার্জিনিয়া উলফের ‘দ্য কমন রিডার’, বেন আমেস উইলিয়ামসের ‘হাউস ডিভাইডেড’, ‘দ্য পার্টিসান রিডার’, চার্লস বিয়ার্ডের ‘দ্য রিপাবলিক’, টার্লির ‘নেপোলিয়ান্স ইনভেশন অব রাশিয়া’, পেগি উডের ‘হাউ হাউ ইয়ং ইউ লুক’, অলডেন ব্রুকসের ‘শেক্সপিয়ার অ্যান্ড দ্য ডায়ার্স হ্যান্ড’, বল্ডউইনের ‘আফ্রিকান হান্টিং’, টি. এস. এলিয়টের কবিতা আর জেনারেল কাস্টারের শেষ যুদ্ধ নিয়ে দুটো বই।

ঘরটা প্রথম দেখায় এলোমেলো মনে হলেও, একটু তলিয়ে দেখলে বোঝা যায় এর মালিক গোছানো স্বভাবের, কিন্তু কিছুতেই পুরোনো জিনিস ফেলে দিতে পারেন না; বিশেষ করে সেন্টিমেন্ট জড়িয়ে থাকলে তো নয়ই। একটা তাকের ওপর খেলনার মেলা: কাঠের পুঁতির জিরাফ, ঢালাই লোহার কচ্ছপ, ট্রেন, জিপ আর গন্ডোলার পুতুল, চাবি দেওয়া ভালুক, করতাল বাজানো বানর, টিনের তৈরি খুদে যুদ্ধবিমান। শৈশবের জুতোর বাক্সে জমিয়ে রাখা টুকিটাকির মতো শোনায় ঠিকই, তবে এগুলোর মূল্য হেমিংওয়ের কাছে অপরিসীম। ঠিক যেমন ঘরের দেয়ালে ঝুলতে থাকা মোষের তিনটি শিং—যার গুরুত্ব আকারে নয়, জড়িয়ে থাকা সেই স্মৃতিতে, যখন শিকারে গিয়ে সব ভেস্তে গিয়েও শেষমেশ উদ্ধার পেয়েছিল। ‘ওগুলোর দিকে তাকালে মনটা চাঙ্গা হয়ে ওঠে,’ হেমিংওয়ে বলেন।

এই ধরণের সংস্কার বা বিশ্বাস হেমিংওয়ে হয়তো স্বীকার করেন, কিন্তু তা নিয়ে কথা বলতে নারাজ। তাঁর মতে, মুখ ফুটলেই বুঝি ওগুলোর গুণ গুণাহ হয়ে যাবে! লেখালেখি নিয়েও তাঁর দর্শন অনেকটা একই রকম। সাক্ষাৎকার জুড়ে বহুবার বলেছেন, শিল্পের কারুকাজকে যেন অতিরিক্ত ব্যবচ্ছেদ না করা হয়।
লেখার যে অংশটা নিরেট, কঠিন— তা নিয়ে কথা বললে ক্ষতি নেই। কিন্তু যেটা কোমল, ভঙ্গুর— তা নিয়ে আলগা কথা বললেই কাঠামোটায় ফাটল ধরবে, হাত খালি হয়ে যাবে।
ফলে, গল্প আড্ডায় অসাধারণ রসিক আর অভিজ্ঞ হওয়া সত্ত্বেও, নিজের লেখালেখি নিয়ে কথা বলা হেমিংওয়ের জন্য কঠিন। ভাবনার অভাব বলে নয়, বরং তিনি গভীরভাবে বিশ্বাস করেন যে এই ভাবনাগুলো গোপন থাকাই শ্রেয়। লেখা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কেমন যেন কুঁকড়ে যান, যাকে তিনি নিজেই বলেন ‘স্পুকড’ হওয়া। উত্তরগুলোর অনেকটাই তিনি সাক্ষাৎকারের সময় না বলে নিজের বোর্ডে লিখে তৈরি করেছিলেন। অনেক উত্তরের খাঁজকাটা তেজটুকুর পেছনেও কাজ করেছে এই অনুভুতি যে, লেখালেখি একান্তই নির্জন আর ব্যক্তিগত এক সাধনা, যেখানে কাজ শেষ হওয়ার আগে দর্শকের কোনো ঠাঁই নেই।

নিজের কাজের প্রতি এই তীব্র নিষ্ঠা হয়তো আমরা বাইরে থেকে যে হইচইপূর্ণ, দুশ্চিন্তাহীন, শিকারি হেমিংওয়েকে চিনি, তার সঙ্গে মেলে না। কিন্তু আসল কথা হলো, জীবনকে যেমন তিনি জমিয়ে উপভোগ করতেন, তেমনই নিজের কাজেও দিতেন সমপরিমাণ সততা। ভণ্ডামি, ভুল আর আধখেঁচড়া জিনিসকে তিনি ঘোর অপছন্দ করতেন।

হলুদ টালির সেই শোবার ঘরের চেয়ে বড় প্রমাণ আর কী হতে পারে! যেখানে ভোর না হতেই হেমিংওয়ে গিয়ে দাঁড়ান তাঁর লেখার বোর্ডের সামনে— একপা থেকে অন্যপায়ে শরীরের ভর বদলান, কাজ জমলে দরদর করে ঘামেন, ছোটদের মতো উত্তেজিত হন, আর লেখার খেই হারিয়ে গেলে তীব্র কষ্টে ভোগেন। তিনি নিজের তৈরি এক নিয়মের দাস— যে নিয়ম চলে দুপুর অবধি। তারপর হাতে একটা গিঁট-লাঠি নিয়ে ঘর ছেড়ে বের হন, সাঁতারের জন্য আধ মাইল দূরের সুইমিং পুলের দিকে।

ইন্টারভিউয়ার: লেখার এই পুরো সময়টা কি আনন্দদায়ক?
হেমিংওয়ে: ভীষণ।

ইন্টারভিউয়ার: এই প্রক্রিয়াটা নিয়ে কিছু বলবেন? কখন লেখেন? নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম মানেন কি?
হেমিংওয়ে: কোনো বই বা গল্পের কাজ চললে, আমি সকালের প্রথম আলো ফোটার পরপরই লিখতে বসে যাই। তখন কোনো উপদ্রব থাকে না, পরিবেশটা ঠান্ডা থাকে; কাজ শুরু করলে আস্তে আস্তে শরীর গরম হতে থাকে। আগের দিনের লেখাটা পড়ে নিই, আর আমি সবসময় ঠিক সেখানেই থামি যেখানে আমি জানি যে ‘এরপর কী হতে যাচ্ছে’। সেখান থেকেই আবার শুরু করি। আমি ততক্ষণই লিখি যতক্ষণ ভেতরে রসটুকু থাকে এবং জানি এরপর কী হবে। তারপর থেমে যাই, এবং চেষ্টা করি পরের দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকার, যখন আবার কাজে হাত দেব। সকাল ছয়টায় শুরু করলে হয়তো দুপুর অবধি চলে, কিংবা তার আগেই শেষ হয়। থামার পর নিজেকে খালি লাগে, আবার একই সঙ্গে মনে হয় ভেতরে উপচে পড়ছে কিছু একটা— ঠিক যেমনটা হয় প্রিয় মানুষকে ভালোবাসার পর। পরের দিন কাজ শুরু করার আগে পর্যন্ত কোনো কিছু আপনাকে আঘাত করতে পারে না, কোনো কিছুরই আর কোনো অর্থ থাকে না। এই যে মাঝের সময়টুকু পার করে পরের দিনের জন্য অপেক্ষা করা— এটাই সবচেয়ে কঠিন কাজ।

ইন্টারভিউয়ার: কাজের টেবিল থেকে দূরে থাকলে কি মাথার ভেতর থেকে প্রজেক্টের চিন্তা ঝেড়ে ফেলতে পারেন?
হেমিংওয়ে: অবশ্যই। তবে এর জন্য কঠিন অনুশাসনের দরকার হয়। এই শৃঙ্খলাটা অর্জন করে নিতে হয়, এছাড়া উপায় নেই।

ইন্টারভিউয়ার: আগের দিনের পড়া অংশটুকুর ওপর কি তখনই কাটাকুটি বা নতুন করে লেখার কাজটা করেন? নাকি পুরো বই শেষ হওয়া পর্যন্ত ফেলে রাখেন?
হেমিংওয়ে: যেখানে থেমেছিলাম, প্রতিদিন ততটুকু পর্যন্ত আমি নতুন করে লিখি। পুরো কাজটা শেষ হলে তো বটেই, পুরোটার ওপর দিয়ে আরেকবার যাওয়া হয়। আর কেউ যখন লেখাটা টাইপ করে দেয়, সাফ-সুথরা টাইপ করা রূপে যখন নিজের লেখাটা দেখি, তখন আরেকটা সুযোগ আসে শুধরে নেওয়ার। একদম শেষ সুযোগটা মেলে প্রুফ দেখার সময়। এই সুযোগগুলোর জন্য আমি কৃতজ্ঞ।

ইন্টারভিউয়ার: নতুন করে কতটা লেখেন বা বদলান?
হেমিংওয়ে: নির্ভর করে। ‘আ ফেয়ারওয়েল টু আর্মস’ উপন্যাসের শেষ পাতাটি আমি ৩৯ বার নতুন করে লিখেছিলাম, যতক্ষণ না মনমতো হয়েছিল।

ইন্টারভিউয়ার: ওখানে কি কারিগরি কোনো জটিলতা তৈরি হয়েছিল? কী এমন আটকে দিয়েছিল আপনাকে?
হেমিংওয়ে: সঠিক শব্দগুলো খুঁজে পাওয়া।


 শব্দ শিকারের দিনলিপি 
আর্নেস্ট হেমিংওয়ের ঐতিহাসিক সাক্ষাৎকার


মন্তব্য

অনুবাদ আত্মজীবনী আর্ট-গ্যালারী আলোকচিত্র ই-বুক ইচক দুয়েন্দে ইশতেহার উৎপলকুমার বসু উপন্যাস ঋত্বিক-ঘটক কবিতা কবিতায় কুড়িগ্রাম কর্মকাণ্ড কার্ল মার্ক্স গল্প গিন্সবার্গ চার্লস বুকাওস্কি ছড়া জার্নাল জীবনী দশকথা দিনলিপি পাণ্ডুলিপি পুনঃপ্রকাশ পোয়েটিক ফিকশন প্রতিবাদ প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা প্রবন্ধ প্রিন্ট সংখ্যা বই বর্ষা সংখ্যা বসন্ত বিক্রয়বিভাগ বিবিধ বিবৃতি বিশেষ বুলেটিন বৈশাখ ভাষা-সিরিজ ভিডিও মাসুমুল আলম মুক্তগদ্য মে দিবস যুগপূর্তি রিভিউ লকডাউন শম্ভু রক্ষিত শাহেদ শাফায়েত শিশুতোষ সন্দীপ দত্ত সম্পাদকীয় সাক্ষাৎকার সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ সৈয়দ সাখাওয়াৎ স্মৃতিকথা হেমন্ত
নাম

অনুবাদ,63,আত্মজীবনী,27,আর্ট-গ্যালারী,2,আলোকচিত্র,1,ই-বুক,7,ইচক দুয়েন্দে,23,ইশতেহার,2,উৎপলকুমার বসু,26,উপন্যাস,5,ঋত্বিক-ঘটক,5,কবিতা,348,কবিতায় কুড়িগ্রাম,7,কর্মকাণ্ড,17,কার্ল মার্ক্স,1,গল্প,85,গিন্সবার্গ,2,চার্লস বুকাওস্কি,40,ছড়া,1,জার্নাল,6,জীবনী,7,দশকথা,25,দিনলিপি,1,পাণ্ডুলিপি,11,পুনঃপ্রকাশ,24,পোয়েটিক ফিকশন,1,প্রতিবাদ,1,প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা,4,প্রবন্ধ,193,প্রিন্ট সংখ্যা,5,বই,4,বর্ষা সংখ্যা,1,বসন্ত,15,বিক্রয়বিভাগ,21,বিবিধ,3,বিবৃতি,1,বিশেষ,26,বুলেটিন,4,বৈশাখ,1,ভাষা-সিরিজ,5,ভিডিও,1,মাসুমুল আলম,35,মুক্তগদ্য,45,মে দিবস,1,যুগপূর্তি,6,রিভিউ,5,লকডাউন,2,শম্ভু রক্ষিত,2,শাহেদ শাফায়েত,25,শিশুতোষ,1,সন্দীপ দত্ত,14,সম্পাদকীয়,20,সাক্ষাৎকার,26,সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ,18,সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ,55,সৈয়দ সাখাওয়াৎ,33,স্মৃতিকথা,15,হেমন্ত,1,
ltr
item
বিন্দু | লিটল ম্যাগাজিন: আর্নেস্ট হেমিংওয়ের ঐতিহাসিক সাক্ষাৎকার
আর্নেস্ট হেমিংওয়ের ঐতিহাসিক সাক্ষাৎকার
বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রথাবিমুখী ও প্রভাবশালী মার্কিন কথাসাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে। তাঁর সংক্ষিপ্ত, নিরেট ও অলংকারহীন গদ্যশৈলী বিশ্বসাহ
https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjAyayeZB2w1GJrY8KszGqNEoK6zwYwHOXRjZ_ArhvD6fhzmRXlt7sbyvZJUOw0QvDboDrdSl0VFS-9-6AtZmUp5v23v4Uk4sMAzZSLCHp3qhr7U0imWW8YMbY1IcBrICQ_r4PFO2ac8hP99ZbtzwLYc37bs3qs64xF48ba8hf7sEwNOdCg64m3_bRtrq4/s1600/%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%20%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A7%87%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%20%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%20%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE.png
https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjAyayeZB2w1GJrY8KszGqNEoK6zwYwHOXRjZ_ArhvD6fhzmRXlt7sbyvZJUOw0QvDboDrdSl0VFS-9-6AtZmUp5v23v4Uk4sMAzZSLCHp3qhr7U0imWW8YMbY1IcBrICQ_r4PFO2ac8hP99ZbtzwLYc37bs3qs64xF48ba8hf7sEwNOdCg64m3_bRtrq4/s72-c/%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%20%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A7%87%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%20%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%20%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE.png
বিন্দু | লিটল ম্যাগাজিন
https://www.bindumag.com/2026/08/ernest-hemingway-interview.html
https://www.bindumag.com/
https://www.bindumag.com/
https://www.bindumag.com/2026/08/ernest-hemingway-interview.html
true
121332834233322352
UTF-8
Loaded All Posts Not found any posts আরো Readmore উত্তর Cancel reply মুছুন By নী PAGES POSTS আরো এই লেখাগুলিও পড়ুন... বিষয় ARCHIVE SEARCH সব লেখা কোন রচনায় খুঁজে পাওয়া গেল না নীড় Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS PREMIUM CONTENT IS LOCKED STEP 1: Share to a social network STEP 2: Click the link on your social network Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy